• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬

উক্তি প্রতিদিন

“দুঃখের সময় প্রকৃত  বন্ধু ভালোবাসা প্রদর্শন করে”

“দুঃখের সময় প্রকৃত বন্ধু ভালোবাসা প্রদর্শন করে”

প্রাচীন গ্রিক কবি ও নাট্যকার ইউরিপিডিস (খ্রিস্টপূর্ব ৪৮০-৪০৬)। বিখ্যাত গ্রিক ট্র্যাজেডির তিন রচয়িতার মধ্যে তিনি একজন। ইউরিপিডিসের জন্ম এথেন্সের একটি দ্বীপ অঞ্চলে। অল্প বয়স থেকেই তিনি কবিতা ও নাটক লেখা শুরু করেন। ইউরিপিডিসের নাটকে উঠে আসে সমকালীন রাজনীতির উত্থান-পতন ও নতুন জীবনদর্শনের বিষয়। তখনকার সময়ে প্রতিবছর নাট্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হতো। ইউরিপিডিসের নাটক একবার প্রথম স্থান অধিকার করে। তিনিই প্রথম মিডিয়া নাটকে...

যাকে ভালোবাসবে, তাকে বিয়ে নয়!

যাকে ভালোবাসবে, তাকে বিয়ে নয়!

জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ, তিনি বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার, গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। ১৯৪৮ সালের ১৩ই নভেম্বর নেত্রকোনায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আক্তার খাতুন। তার পিতা ছিলেন তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা।

“মৃত্যু আসে তিল তিল শ্রান্তি  ম্লান সুপ্তির বন্ধনে”

“মৃত্যু আসে তিল তিল শ্রান্তি ম্লান সুপ্তির বন্ধনে”

ফররুখ আহমদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি ও শিশু সাহিত্যিকদের অন্যতম। ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাঝাইল গ্রামে তার জন্ম। তার পিতা খান সাহেব সৈয়দ হাতেম আলী ছিলেন পুলিশ ইন্সপেক্টর। বিংশ শতাব্দীর চল্লিশের দশকে কাব্যক্ষেত্রে ফররুখ আহমদের আগমন ঘটে। ১৯৪৪ সনে ২৬ বছর বয়সে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ প্রকাশিত হয়।

নম্রতা ও ভদ্রতা মানুষের পুরোনো ঐশ্বর্য

নম্রতা ও ভদ্রতা মানুষের পুরোনো ঐশ্বর্য

জন স্টুয়ার্ট মিল বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, দার্শনিক, রাষ্ট্রচিন্তাবিদ ও সমাজ সংস্কারক। ১৮০৬ সালের ২০ মে লন্ডনের পেনটোনভিলে এলাকার রডনী স্ট্রীটে জন স্টুয়ার্ট মিল জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা জেমস মিলও ছিলেন দার্শনিক ও ইতিহাসবিদ। মিলের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বিষয় ছিল অর্থশাস্ত্র। ১৮৬৫ থেকে ১৮৬৮ সালের মধ্যে স্টুয়ার্ট মিল সেন্ট এন্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের লর্ড রেক্টররূপে দায়িত্ব পালন করেন।

“ফরমাশ দিয়া সাহিত্য সৃষ্টি হয় না”

“ফরমাশ দিয়া সাহিত্য সৃষ্টি হয় না”

বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তিনি ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে জন্মগ্রহণ করেন। সাহিত্যকর্মে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য শরৎচন্দ্র কুন্তলীন পুরস্কার ও জগত্তারিণী স্বর্ণপদক লাভ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে।

দুঃখের একদিন হাজার দিনের সমান

দুঃখের একদিন হাজার দিনের সমান

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী (মহাত্মা গান্ধী) ১৮৬৯ সালে ব্রিটিশ ভারত গুজরাটের পোরবন্দরের হিন্দু মোধ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা করমচাঁদ গান্ধী ছিলেন পোরবন্দরের দেওয়ান (প্রধান মন্ত্রী)। মা পুতলিবা করমচাঁদের চতুর্থ স্ত্রী ছিলেন। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। বৃটিশ বিরোধী অহিংস নীতি এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পথিকৃৎ। তাকে “ভারতের জাতির জনক” বলা হয়।