• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬
“মৃত্যু আসে তিল তিল শ্রান্তি  ম্লান সুপ্তির বন্ধনে”

“মৃত্যু আসে তিল তিল শ্রান্তি ম্লান সুপ্তির বন্ধনে”

ফররুখ আহমদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি ও শিশু সাহিত্যিকদের অন্যতম। ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাঝাইল গ্রামে তার জন্ম। তার পিতা খান সাহেব সৈয়দ হাতেম আলী ছিলেন পুলিশ ইন্সপেক্টর। বিংশ শতাব্দীর চল্লিশের দশকে কাব্যক্ষেত্রে ফররুখ আহমদের আগমন ঘটে। ১৯৪৪ সনে ২৬ বছর বয়সে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ প্রকাশিত হয়।

বিস্তারিত
নম্রতা ও ভদ্রতা মানুষের পুরোনো ঐশ্বর্য

নম্রতা ও ভদ্রতা মানুষের পুরোনো ঐশ্বর্য

জন স্টুয়ার্ট মিল বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, দার্শনিক, রাষ্ট্রচিন্তাবিদ ও সমাজ সংস্কারক। ১৮০৬ সালের ২০ মে লন্ডনের পেনটোনভিলে এলাকার রডনী স্ট্রীটে জন স্টুয়ার্ট মিল জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা জেমস মিলও ছিলেন দার্শনিক ও ইতিহাসবিদ। মিলের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বিষয় ছিল অর্থশাস্ত্র। ১৮৬৫ থেকে ১৮৬৮ সালের মধ্যে স্টুয়ার্ট মিল সেন্ট এন্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের লর্ড রেক্টররূপে দায়িত্ব পালন করেন।

বিস্তারিত
“ফরমাশ দিয়া সাহিত্য সৃষ্টি হয় না”

“ফরমাশ দিয়া সাহিত্য সৃষ্টি হয় না”

বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তিনি ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে জন্মগ্রহণ করেন। সাহিত্যকর্মে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য শরৎচন্দ্র কুন্তলীন পুরস্কার ও জগত্তারিণী স্বর্ণপদক লাভ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে।

বিস্তারিত
দুঃখের একদিন হাজার দিনের সমান

দুঃখের একদিন হাজার দিনের সমান

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী (মহাত্মা গান্ধী) ১৮৬৯ সালে ব্রিটিশ ভারত গুজরাটের পোরবন্দরের হিন্দু মোধ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা করমচাঁদ গান্ধী ছিলেন পোরবন্দরের দেওয়ান (প্রধান মন্ত্রী)। মা পুতলিবা করমচাঁদের চতুর্থ স্ত্রী ছিলেন। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। বৃটিশ বিরোধী অহিংস নীতি এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পথিকৃৎ। তাকে “ভারতের জাতির জনক” বলা হয়।

বিস্তারিত
জগতের সমস্ত সমস্যা বৈষম্য থেকে

জগতের সমস্ত সমস্যা বৈষম্য থেকে

অমর্ত্য সেন ১৯৩৩ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকার মানিকগঞ্জে এক সম্ভ্রান্ত হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার নাম রেখেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তার মাতামহ আচার্য ক্ষিতিমোহন সেন ছিলেন ভারতীয় সংস্কৃত সাহিত্যের অধ্যাপক, রবীন্দ্রনাথের সহযোগী ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় উপাচার্য। তার বাবা আশুতোষ সেন ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক।

বিস্তারিত
দান হোক আনন্দে, কৃতজ্ঞতায় গ্রহণ

দান হোক আনন্দে, কৃতজ্ঞতায় গ্রহণ

আফ্রো-আমেরিকান কবি মায়া অ্যাঞ্জেলো ১৯২৮ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের সেন্ট লুইসে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সাহিত্যিক ও সামাজিক আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী। ‘আই নো হোয়াই দ্য কেজড বার্ড সিঙ্গস’ এই আত্মজীবনীর জন্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। জীবনের প্রথম ১৭টি বছর ধরা রয়েছে এই বইয়ে।

বিস্তারিত
সব ভালো বক্তাই নিকৃষ্ট মানের বক্তা ছিলেন

সব ভালো বক্তাই নিকৃষ্ট মানের বক্তা ছিলেন

রালফ ওয়াল্ডো এমারসন ১৮০৩ সালের ২৫ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের বোস্টনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন বিখ্যাত আমেরিকান লেখক ও দার্শনিক। এমারসন ১৯ শতকের সবচেয়ে প্রভাবশালী আমেরিকানদের মধ্যে একজন ছিলেন। তিনি মূলত ইউনিটারিয়ান রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত হলেও পরে মন্ত্রীপরিষদের পদ ছেড়ে দিয়ে লেখালেখির মধ্যে নিয়োজিত হন।

বিস্তারিত
“যেখানে লক্ষ্য নেই, সেখানে আশাও নেই”

“যেখানে লক্ষ্য নেই, সেখানে আশাও নেই”

জর্জ ওয়াশিংটন কার্ভার ১৮৬৪ সালের ৫ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের ডায়মন্ড গ্রোভের মোসেস কার্ভারের ফার্মে জন্মগ্রহণ করেন। আফ্রিকান-আমেরিকান একটি দাস পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও পরবর্তীতে তিনি একজন কৃষিবিজ্ঞানী হন।

বিস্তারিত
“দান করে কেউ দরিদ্র হয় না” 

“দান করে কেউ দরিদ্র হয় না” 

আনেলিস মারি ফ্রাঙ্ক ১৯২৯ সালের ১২ জুন জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে এক ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আনা ফ্রাঙ্ক নামেই অধিক পরিচিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে তার লেখা ডাইরির জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন।‌ ‘দ্য ডাইরি অব অ্যা ইয়ং গার্ল’ শিরোনামের ডাইরিটি ৭০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয় এবং সর্বাধিক বিক্রিত বইয়ের তালিকায় অবস্থান করে নেয়।

বিস্তারিত
“ব্যস্ততম সাহিত্যের নাম সাংবাদিকতা”

“ব্যস্ততম সাহিত্যের নাম সাংবাদিকতা”

ম্যাথিউ আরনল্ড ১৮২২ সালের ২৪ ডিসেম্বর ইংল্যান্ডের মিডলসেক্স প্রদেশের লেহাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রথিতযশা কবি। চিন্তাশীল ও অলংকারাবৃত আরনল্ডের বেশিরভাগ লেখা মানসিক বিচ্ছিন্নতা, উভয়সংকট নিয়ে। তিনি তার ‘ডোভার বিচ’ কবিতার মধ্যে এই মানসিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবার কারন হিসেবে ভিক্টোরিয়ান যুগের মানুষদের ঈশ্বরের প্রতি ক্ষয়িষ্ণু বিশ্বাসের কথা উল্লেখ করেন।

বিস্তারিত