• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ৫ কার্তিক ১৪২৭

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড : অনুমোদন দিলেন রাষ্ট্রপতি

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড : অনুমোদন দিলেন রাষ্ট্রপতি

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক১৩ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৫৩পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন অথবা মৃত্যুদণ্ড করে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০’ অধ্যাদেশের সংশোধনীর অনুমোদন দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এর ফলে এখন থেকে ধর্ষণের অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দিতে আর কোনো বাঁধা থাকলো না। তবে সংসদ অধিবেশন শুরু হলে এ অধ্যাদেশটি বিল আকারে উত্থাপন করে তা আইনে রুপান্তর করতে হবে।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন।

এর আগে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন‘ সংশোধন করে অধ্যাদেশ আকারে জারির জন্য এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। কিন্তু সংসদ অধিবেশন চলমান না থাকায় রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষ্যে সরকার এই অধ্যাদেশ জারি করলো। তবে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে এই অধ্যাদেশ উপস্থাপন করতে হবে। আইনটি বলবৎ রাখতে চাইলে পরে বিল আকারে তা সংসদে তুলবে সরকার।

প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি এতদিন ছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আর ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর মৃত্যু হলে বা দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ছিল। পাশাপাশি ছিল অর্থদণ্ডের বিধান।

এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) উপ-ধারায় আগে বলা ছিল, যদি কোনও পুরুষ কোনও নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করে, তাহলে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

কিন্তু এবারের সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী, আইনের ৯(১) উপ-ধারার অধীন ধর্ষণের অপরাধের জন্য শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

 

টাইমস/এসএন

৩৮ বিসিএস : ননক্যাডারে নিয়োগ পাচ্ছেন আরও ৫৪১ জন

৩৮ বিসিএস : ননক্যাডারে নিয়োগ পাচ্ছেন আরও ৫৪১ জন

৩৮তম বিসিএস পরীক্ষার নন-ক্যাডার থেকে প্রথম শ্রেণির বিভিন্ন পদে আরও

বিয়ের জন্য বাসায় ডেকে ছাত্রীকে ধর্ষণ করল ছাত্রলীগ নেতা!

বিয়ের জন্য বাসায় ডেকে ছাত্রীকে ধর্ষণ করল ছাত্রলীগ নেতা!

বিয়ের কথা বলে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভাবনা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভাবনা

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ) পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের

অর্থনীতি

আলুর দাম কেজিপ্রতি ৩৫, বেশি নিলেই ব্যবস্থা

আলুর দাম কেজিপ্রতি ৩৫, বেশি নিলেই ব্যবস্থা

বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবার সরকারই বাড়িয়ে দিল আলুর দাম। খুচরা পর্যায়ে কেজি প্রতি আলুর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা। আগামীকাল বুধবার থেকে সরকার নির্ধারিত আলুর দাম বাস্তবায়ন হবে। সরকারি নির্দেশনা না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানা গেছে।

আন্তর্জাতিক

কাশ্মিরে ভারতীয় বাহিনীর অভিযান : নিহত ৪

কাশ্মিরে ভারতীয় বাহিনীর অভিযান : নিহত ৪

গত কয়েকদিন ধরেই কাশ্মিরে ভারতীয় বাহিনীর সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চলছে। অভিযানকালে গত দু’দিনে ৪ কাশ্মিরি ভারতীয় সেনাদের গুলিতে নিহত হয়েছেন।

জাতীয়

এবার রাস্তা থেকে কলেজছাত্রীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ

এবার রাস্তা থেকে কলেজছাত্রীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ

এবার রাস্তা থেকে কলেজছাত্রীকে তুলে নির্জন চরে নিয়ে রাতভর গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। টাঙ্গাইলের গোপালপুরে কাগুজিআটা গ্রামে এঘটনা ঘটেছে।

জাতীয়

বিভাগীয় শহরে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা : ২০০ নয়, ১০০ নম্বর

বিভাগীয় শহরে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা : ২০০ নয়, ১০০ নম্বর

অনলাইনে নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি অনার্স প্রথমবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।শিক্ষার্থীদের রেজাল্টের পর ভর্তির তারিখ জানানো হবে। তবে, ডিসেম্বরের

জাতীয়

দশ বছরে ২ বস্তা ও ৪ বালতি কয়েন জমিয়ে বিপদে খাইরুল!

দশ বছরে ২ বস্তা ও ৪ বালতি কয়েন জমিয়ে বিপদে খাইরুল!

মাগুরার মহম্মদপুরের সবজি ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম খবির। দশ বছর ধরে তিনি ৬০ হাজার টাকার কয়েন জমিয়েছেন। সবজি ক্রেতা ও ভিক্ষুকদের কাছ থেকে পাওয়া ওই কয়েন জমিয়ে এখন ৪ বালতি ও দুই বস্তা হয়েছে। ওই কয়েনের ওজন প্রায় ছয় মণ। কয়েনের মধ্যে রয়েছে চার আনা, আট আনা, এক টাকা, দুই টাকার ধাতব মুদ্রা। এসব কয়েন নিয়ে এখন তিনি বিপাকে পড়েছেন। এত টাকা এখন কোন কাজে আসছে না ওই ব্যবসায়ীর। তার ওই কয়েন কেউ নিচ্ছে না।

লাইফস্টাইল

ডিজিটাল স্ক্রিনে কাজ করার ফলে ঘাড়ে ব্যথা হলে কি করবেন

ডিজিটাল স্ক্রিনে কাজ করার ফলে ঘাড়ে ব্যথা হলে কি করবেন

দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করতে গিয়ে বা মোবাইল কিংবা ল্যাপটপে ভিডিও দেখতে দেখতে অনেকেই ঘাড়ে ব্যথা অনুভব করেন। অনেকেই ঘাড় নাড়াতে চরম কষ্টে ভুগেন। এ সমস্যাকে সাধারণত ‘টেক নেক’ বলা হয়ে থাকে। বাংলায় যাকে বলে- ‘ঘাড়ে ব্যথা’।