• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২০, ২২ চৈত্র ১৪২৬

নারকেল ঝরে পড়ার কারণ ও প্রতিকার

নারকেল ঝরে পড়ার কারণ ও প্রতিকার

ফিচার ডেস্ক২০ মার্চ ২০২০, ০৯:৩৬এএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

নারিকেল অর্থকরী ফল ও তেলজাতীয় ফসল। প্রায় সবার বাড়িতে দু’একটি নারকেল গাছ রয়েছে। এসব গাছে বিভিন্ন সময় নানা সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে কচি অবস্থায় নারকেল ঝরে পড়া একটি প্রধান সমস্যা। সাধারণত নারকেল গাছে ফুল আসার পর থেকে ডাব পর্যন্ত নারকেল ঝরে পড়ার কয়েকটি কারণ হতে পারে। যেমন- ফুলে পরাগ সংযোগ না হওয়া, কচি ফলগুলোতে পোকার আক্রমণ, মাটিতে সারের অভাব, নারকেলের ভেতরের শাঁস অংশ গঠনে ব্যাঘাত, মাটিতে পানির অভাব ইত্যাদি।

নারিকেল গাছে কোনো রোগ বা পোকার আক্রমণ হলে ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে এর নিয়ন্ত্রণ করা যায়। নারকেলের ফুল বা ফল খাওয়া পোকায় আক্রমণ করলে দুই মিলি রগর এক লিটার পানিতে মিশিয়ে ফুলের উপর ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে। গাছের কুঁড়ি বা পচা রোগের জন্য এক শতাংশ শক্তিযুক্ত বর্দো মিশ্রণ গাছের অগ্রভাগে বিশেষ করে পাতার গোঁড়ায় ভালো করে প্রয়োগ করতে হবে।

নারিকেল ফুলে পরাগায়ন সংঘটিত হয় পোকা বিশেষ করে মৌমাছি অথবা বাতাসের মাধ্যমে। এজন্য একই এলাকায় একাধিক নারিকেল গাছ থাকা দরকার, এতে পরাগায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ফুল থাকে। এছাড়া নারিকেল ফুল ফোটার পর বাতাস প্রবাহে বাধার সৃষ্টি হলে পরাগায়নও বাধাগ্রস্ত হয়। এতে নারিকেল কুঁড়ি অবস্থাতেই ঝরে পড়ে।

অনেক সময় সুষম সার প্রয়োগ না করায় পুষ্টির অভাবে বা অপূর্ণতায় ফুল সুষ্ঠুভাবে পরিণত না হওয়ায় পরাগায়ন হওয়ার পরও ফল ঝরে যায়। মৌমাছি যাতে নারিকেল গাছের এলাকায় ঘোরাফেরা করতে পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হয়। নারিকেলের ফুল ফোটার আগে অপ্রয়োজনে কোনো বালাইনাশক স্প্রে করা ঠিক নয়।

নারিকেল গাছের গোঁড়ায় যদি রস বেশি বা সব সময় স্যাঁতস্যাঁতে থাকে অথবা একেবারে শুকনো থাকে তাহলে গাছের ভেতরের অবস্থা ও ক্রমবর্ধিষ্ণু ফলের কুঁড়ির মধ্যকার আর্দ্রতার অসাম্যতা দেখা দেয়। এতে ফলের কুঁড়ির বোঁটা অতিরিক্ত নরম বা শুকনো হয়ে যায় এবং ফল ঝরে পড়ে।

এছাড়া আবহাওয়ায় আর্দ্রতার কমবেশিও ফল ঝরার কারণ হতে পারে। এজন্য নারিকেল গাছের গোঁড়ার মাটিতে যেন সব সময় জো অবস্থা থাকে সেদিকে নজর রাখতে হয়। গ্রীষ্মে অতিরিক্ত গরমের সময় রাতে ও শীতে অতিরিক্ত ঠাণ্ডার সময় দিনে নারিকেলের পাতায় শুধু পানি সেপ্র করে গাছের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ধরে রাখতে সাহায্য করলে ওই সময়ের অস্বাভাবিক অবস্থায় ফল ঝরে পড়ে না।

সাধারণত মাটিতে সারের অভাব হলে কচি অবস্থায় নারকেল বেশি করে ঝরে পড়ে। নারকেল গাছে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশ সারের সঙ্গে সুহাগা প্রয়োগের বিশেষ প্রয়োজন। পটাশ সারের অভাব হলে নারকেলের শাঁস গঠনে ব্যাঘাত হয় ও নারকেল ঝরে পড়ে। সেজন্য গোবর সার বা পচন সারের সঙ্গে অনুমোদিত রাসায়নিক সার মিশিয়ে দু’ভাগ করে এক অংশ বর্ষার আগে (চৈত্র-বৈশাখ) এবং অন্য অংশ বর্ষার পরে (অশ্বিন-কার্তিক) মাসে প্রয়োগ করতে হবে।

অনেক সময় গাছে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ফল ধরে এবং প্রতিটি ফল পরিমিত পরিমাণ পুষ্টির অভাবে সঠিকভাবে বাড়তে না পারায় বেশির ভাগই ঝরে পড়ে। এজন্য দু’টি ছড়ি বের হওয়ার মধ্যে সময়ের পার্থক্য কম হলে ছড়িগুলো থেকে ফলসংখ্যা ছাঁটাই করে ফেলা দরকার। এতে বাকিগুলো ঠিকভাবে বাড়তে পারে, পাশাপাশি ফলঝরা কমে।

নারিকেল গাছের সবুজ পাতা ছাঁটাই করা কোনো ক্রমেই উচিত নয়। যেসব পাতা শুকিয়ে যায় সেগুলোর গাছের সঙ্গে লেগে থাকা মোটা বোঁটাটি না শুকানো পর্যন্ত কাটা উচিত নয়। সবুজ পাতা কাটলে গাছে খাদ্য তৈরি কমে যায়। এতে ফল ঝরে পড়তে পারে।

খরার সময় জমিতে পানির পরিমাণ কমে গেলে বা খরার পর ভারী বৃষ্টিপাত হলে গাছে পানির পরিমাণ বেড়ে গেলে ছোট ছোট নারকেলগুলো ঝরে পড়ে। সেজন্য খরার সময় নারকেল গাছের গোঁড়ায় ১৫-২০ দিন পর পানি দেয়ার প্রয়োজন। জমিতে পানির অভাব হলে বা প্রতিকূল অবস্থায় ফল ও ডাটার গোঁড়ায় এবসাইজিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ফল ঝরে পড়ে। এমন অবস্থায় ৬০ পিপিএম শক্তির ২-৪-ডি মিশ্রণ ফুলের ডাটায় ৭ দিন পর পর ৪ বার প্রয়োগ করলে ঝরে পড়া বন্ধ হয়।

প্লেনোফিক্স জাতীয় হরমোনের ১০ পিপিএম মিশ্রণ নারকেলের ফুলে এবং পরে ২০ পিপিএম নারকেলের ডাটায় প্রয়োগ করলেও নারকেল ঝরে পড়া বন্ধ হয়। রোগ ও পোকার আক্রমণ না থাকা গাছের নারকেল হরমোনের জন্য সাধারণত ঝরে পড়ে।

 

টাইমস/জিএস

গার্মেন্ট ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ

গার্মেন্ট ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ

তৈরি পোশাক কারখানা মালিকদের প্রতি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ

কাপড়ের তৈরি মাস্ক সম্পর্কে যেসব তথ্য জেনে রাখা ভালো

কাপড়ের তৈরি মাস্ক সম্পর্কে যেসব তথ্য জেনে রাখা ভালো

করোনাভাইরাসের মতো ভয়াবহ মহামারী ছড়িয়ে পড়া রুখতে সাহায্য করবে ফেস

সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী প্রকাশ

সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী প্রকাশ

রমজান হল ইসলামী বর্ষপঞ্জিকা অনুসারে নবম মাস, এ মাসে নাযিল

উক্তি প্রতিদিন

“আমাদের চরিত্র হচ্ছে আমাদের আচার ব্যবহারের ফলশ্রুতি”

“আমাদের চরিত্র হচ্ছে আমাদের আচার ব্যবহারের ফলশ্রুতি”

প্রাচীন গ্রিসের প্রভাবশালী তিন দার্শনিকের একজন অ্যারিস্টটল। তাকে প্রাণীবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। খ্রিষ্টপূর্ব ৩৮৪ সালে থারেস উপকূলবর্তী স্টাগিরাস নামক এক গ্রিক উপনিবেশে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। অ্যারিস্টটল অনেক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে আছে—পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রাণীবিজ্ঞান, অধিবিদ্যা, যুক্তিবিদ্যা, নৈতিকতা, নৃতাত্ত্বিক, কবিতা, থিয়েটার, সংগীত, অলংকারশাস্ত্র, ভাষাতত্ত্ব, রাজনীতি ও সরকার।

জাতীয়

গণপরিবহন বন্ধ ১১ এপ্রিল পর্যন্ত

গণপরিবহন বন্ধ ১১ এপ্রিল পর্যন্ত

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে দেশজুড়ে চলমান গণপরিবহন বন্ধের সময়কাল ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। তবে যাত্রীবাহী পরিবহন ছাড়া পণ্য পরিবহন, জরুরি সেবা, জ্বালানি, ওষুধ, পচনশীল ও ত্রাণবাহী পরিবহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

জাতীয়

আইসোলেশন সেন্টারের জন্য প্রস্তুত যাত্রীবাহী লঞ্চ

আইসোলেশন সেন্টারের জন্য প্রস্তুত যাত্রীবাহী লঞ্চ

করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসায় আইসোলেশন সেন্টার চালুর জন্য প্রয়োজনে যাত্রীবাহী লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার রাজধানীর সদরঘাটে নৌযানে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী একথা বলেন।

জাতীয়

শবে বরাতের ইবাদত ঘরে বসে করুন: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শবে বরাতের ইবাদত ঘরে বসে করুন: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শবে বরাতের নামাজ ও ইবাদত বন্দেগী ঘরে বসে আদায় করার জন্য দেশবাসীর প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)। সংস্থাটির মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়। ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যের মধ্যদিয়ে সারা দেশে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ইফা।

জাতীয়

দেশে করোনায় আরও ২ জনের মৃত্যু

দেশে করোনায় আরও ২ জনের মৃত্যু

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গেল ২৪ ঘণ্টায় আরও দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আট জনে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে শনিবার দুপুরে এক অনলাইন লাইভ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ব্রিফিংকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য

বাসায় তৈরি করুন হ্যান্ড স্যানিটাইজার

বাসায় তৈরি করুন হ্যান্ড স্যানিটাইজার

সারা বিশ্বে এখন আতঙ্ক একটাই- নতুন করোনাভাইরাস। লাখ লাখ মানুষ এখন নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। মারা যাচ্ছে হাজারে হাজার। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে সবাইকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হচ্ছে। করোনার জীবাণু শরীরে প্রবেশ ঠেকাতে ও নিজেকে নিরাপদে রাখতে বলা হচ্ছে- অ্যালকোহল-ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের কথা।