• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬

ফায়ার বল: অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক প্রযুক্তি

ফায়ার বল: অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক প্রযুক্তি

ফিচার ডেস্ক২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৮:৪৩এএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

বিশ্বে মানবসৃষ্ট দুর্ঘটনাগুলোর অন্যতম একটি অগ্নিকাণ্ড। বিশ্ব যত বেশি আধুনিক হয়েছে, এই দুর্ঘটনার প্রকৃতি ও ধ্বংসাত্মক প্রভাব তত বেড়েছে। আর সেই সঙ্গে আবিষ্কৃত হয়েছে আগুন নিয়ন্ত্রণের নানা প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির অন্যতম একটি নতুন সংযোজন ‘ফায়ার বল’।

ফায়ার বল হচ্ছে আগুন নেভানোর জন্য ব্যবহৃত একটি অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক বল। কোথাও বড় ধরনের আগুন লাগলে সেখানে এই বল ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এতে আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

অগ্নিনির্বাপক বল ওজনে হালকা এবং সহজে বহনযোগ্য। ফলে এর ব্যবহার খুবই সহজ। এটা খুব দ্রুত আগুন নিভাতে সক্ষম। এটি পানি-নিরোধক প্লাস্টিকের খোসা দ্বারা তৈরি একটি বল যার ভেতর, “নন-টক্সিক মনো-অ্যামোনিয়াম ফসফেট” নামে এক ধরনের রাসায়নিক পাউডার দ্বারা পরিপূর্ণ। এই পাউডার পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না।

এই বলে কোনো প্রকার সুইচ নেই। কারণ এটি একটি স্বয়ংক্রিয় বল। তাই এটি ব্যবহারে কোনো বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন নেই। সাধারণত এর ওজন ১.৩ কেজি হয়ে থাকে। তাই নারী, শিশু, বৃদ্ধ যেকোনো ব্যক্তি এটি ব্যবহার করতে পারেন।

এটি ব্যবহারের নিয়ম হচ্ছে- যখন কোথাও আগুন লাগে, তখন এই বলটিকে আগুনের মধ্যে নিক্ষেপ করতে হয়। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এই বলটি বিস্ফোরিত হয় এবং এর ভেতরে থাকা পাউডার চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এই বিশেষ রাসায়নিক পাউডার কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিভিয়ে দিতে ভূমিকা রাখে।

কেবল আগুন লাগার পর ব্যবহার করতে হবে তা নয়। আগুন লাগার পূর্বেও অগ্নিপ্রতিরোধক হিসেবে এটি ব্যবহার করা যায়। উদাহরণস্বরূপ:- বাসা-বাড়িতে, কল-কারখানায়, শিল্প-প্রতিষ্ঠানে, গাড়িতে সব জায়গাতেই এটি ব্যবহার করা যাবে। অর্থাৎ যেখানেই অগ্নিকাণ্ড ঘটার সম্ভাবনা আছে, সেখানেই এই বল ব্যবহার করা যাবে।

আমরা সাধারণত দেখি যে, আমাদের বাসা-বাড়ি, কল-কারখানা, শিল্প-প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার স্থাপন করা হয়। কিন্তু এই যন্ত্রটি সবাই ব্যবহার করতে জানে না। আবার এটি ওজনে ভারী হওয়ায় সবাই এটি ব্যবহার করতে পারে না। তাছাড়া এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেও কাজ করতে পারে না। তাই অনেক সময় অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থাকা সত্ত্বেও এটি আগুন নিয়ন্ত্রণে খুব একটা কাজে আসে না।

অন্যদিকে অগ্নিনির্বাপক বলের খোসা প্লাস্টিকের তৈরি হওয়ায়, আগুনের সংস্পর্শে আসার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এটি বিস্ফোরিত হয়। তাই যেকোনো স্থানে এটি রাখা যাবে। যখন আগুন বলকে স্পর্শ করবে কিছুক্ষণের মধ্যেই এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিস্ফোরিত হবে। ফলে এর ভেতরে থাকা অগ্নিনির্বাপক পাউডার চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে আগুন নিভাতে ভূমিকা রাখবে।

তাছাড়া এর সবচেয়ে বড় সুবিধা, এটি সুবিধাজনক যেকোনো দূরত্ব থেকে নিক্ষেপ করা যেতে পারে। এটি ব্যবহারের জন্য আগুনের কাছাকাছি যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তাই ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের জন্য যেকোনো দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে অগ্নিনির্বাপক বল ব্যবহার করা সহজ।

এই বলের আরেকটি বড় সুবিধা হল এটাকে নাড়া-চাড়া করলে বা এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও এটি নিজে থেকে কোনো আগুন তৈরি করে না। তাছাড়া এটি পরিবেশবান্ধব উপাদান দিয়ে তৈরি হয় বলে এটা মানুষ বা পরিবেশের তেমন কোনো ক্ষতি করে না।

অগ্নিকাণ্ডের তীব্রতা ও ব্যাপকতা অনুযায়ী যেকোনো সংখ্যক বল ব্যবহার করা যেতে পারে। ফলে যেকোনো বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষেত্রেও এই বল ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। যেসব দুর্ঘটনা কবলিত এলাকায় পানি সরবরাহ করা কঠিন ও সময় সাপেক্ষ, সেখানে এই বল ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সহজ।

তবে এই বলের একটাই অসুবিধা এটা বিস্ফোরিত হবার সময় উচ্চ মাত্রায় শব্দ তৈরি হয়।

সুতরাং বলা যায়, যেকোনো ধরনের অগ্নিকাণ্ড সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য অত্যন্ত কার্যকর একটি প্রযুক্তি ‘অগ্নিনির্বাপক বল’। তাই ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বাসা-বাড়ি এবং যেকোনো প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ড সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করতে অগ্নিনির্বাপক বল ব্যবহার করা উচিত বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

 

টাইমস/এএইচ/জিএস

এবার কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে র‍্যাবের অভিযান

এবার কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে র‍্যাবের অভিযান

ঢাকার ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাব ও ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে ক্যাসিনো পাওয়ার পর এবার কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অভিযান শুরু করেছে র‌্যাব। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ক্লাবটিতে অভিযান শুরু হয়। এর আগে শুক্রবার বিকালে নিকেতনে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা জি কে শামীমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে র‌্যাবের অভিযান শেষ হওয়ার আগেই কলাবাগান মাঠের পাশে র‌্যাবের আরেকটি দলের অবস্থান নেয়ার খবর আসে।

ছবি তুইলেন না, আমার একটা মানসম্মান আছে: জি কে শামীম

ছবি তুইলেন না, আমার একটা মানসম্মান আছে: জি কে শামীম

রাজধানীর নিকেতনে র‍্যাব অভিযান চালিয়ে যুবলীগের নেতা জি কে শামীমকে তার সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় তার অফিস থেকে নগদ প্রায় দুই কোটি টাকা, পৌনে দুইশ কোটি টাকার এফডিআর, আগ্নেয়াস্ত্র ও মদ পেয়েছে র‌্যাব। শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে জি কে শামীমের নিকেতনের ডি ব্লকের ৫ নম্বর রোডের ১৪৪ নম্বর বাসা ঘিরে ফেলে র‌্যাব।  এর আগে নিকেতন এলাকায় জি কে শামীমের আরেকটি বাসা থেকে তাকে ডেকে আনা হয়। পরে তাকে আটক করেই অভিযান চালায় র‌্যাব।

কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শামীমের অফিস থেকে যা যা জব্দ করল র‍্যাব

কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শামীমের অফিস থেকে যা যা জব্দ করল র‍্যাব

রাজধানীর গুলশান-১ সংলগ্ন নিকেতনের একটি অফিসে র‍্যাব অভিযান চালিয়ে সাত দেহরক্ষীসহ শুক্রবার দুপুরে গ্রেপ্তার করেছে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা জি কে শামীমকে। এ সময় জি কে শামীমের অফিস থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ, মদ ও স্থায়ী আমানতের (এফডিআর) কাগজ পেয়েছে র‌্যাব। শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে জি কে শামীমের নিকেতনের ডি ব্লকের ৫ নম্বর রোডের ১৪৪ নম্বর বাসা ঘিরে ফেলে র‌্যাব। এর আগে নিকেতন এলাকায় জি কে শামীমের আরেকটি বাসা থেকে তাকে ডেকে আনা হয়। পরে তাকে আটক করেই অভিযান চালায় র‌্যাব।

রাজনীতি

কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ৭ দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার

কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ৭ দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার

যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা জি কে শামিমকে তার ৭ দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজধানীর নিকেতনে তার ব্যবসায়িক কার্যালয় অভিযান চালিয়ে শুক্রবার দুপুরে তাদের আটক করে র‍্যাবের একটি দল। তার বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক তোফায়েল মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জাতীয়

জবানবন্দিতে যেসব ভয়াবহ তথ্য দিয়েছিল মিন্নি

জবানবন্দিতে যেসব ভয়াবহ তথ্য দিয়েছিল মিন্নি

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার চার্জশিট এক সেপ্টেম্বর আদালতে দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বরগুনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হুমায়ূন কবির। আদালতে চার্জশিট দাখিল করলেও মামলার আসামিপক্ষ অথবা গণমাধ্যমকর্মীরা চার্জশিটের কপি এতদিন হাতে পায়নি। ১৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) চার্জশিট আদালত গ্রহণ করার পর বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কপি বাহিরে প্রকাশ হয়েছে। আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির আইনজীবী মাহাবুবুল বারী আসলামের কাছ থেকে চার্জশিটের কপি পাওয়া গেছে।

বিনোদন

বাড়ির পথ ভুলে গেলেন সাইফ

বাড়ির পথ ভুলে গেলেন সাইফ

বলিউড তারকা সাইফ আলী খান। মাত্র ৩৯ বছর বয়সেই বাড়ির পথ ভুলে গেলেন তিনি! নিজের বাসা থেকে বাড়ি যেতে পথিকদের সহায়তা নিতে হয় তাকে। ঘটনা হলো, সাইফের বাবা ছিলেন পতৌদির নবাব। বাবার মৃত্যুতে সেই আসনে বসেছেন সাইফ আলী খান। কিন্তু নতুন নবাব নিজেই জানেন না, পতৌদির নবাবের বাড়ি কোথায়? কয়েকদিন আগে স্ত্রী কারিনা কাপুর খানের জন্মদিন উদযাপনের জন্য ছেলে তৈমুরকে নিয়ে ছুটছিলেন পতৌদি। আর সেখানেই ঘটেছে বিধিবাম। পথ ভুলে গেছেন সাইফ আলী খান। পরে স্থানীয় লোকজনকে নিজের বাড়ির রাস্তা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন তিনি। এরপর সাহায্যে এগিয়ে আসেন পথিকরা।

রাজনীতি

যুবদল থেকে যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা জি কে শামীম

যুবদল থেকে যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা জি কে শামীম

যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা জি কে শামিমকে তার সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজধানীর নিকেতনে তার ব্যবসায়িক কার্যালয় অভিযান চালিয়ে শুক্রবার দুপুরে তাদের আটক করে র‍্যাবের একটি দল। তার বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক তোফায়েল মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ সময় জি কে শামীমের অফিস থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, অস্ত্র ও মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব।

রাজনীতি

যুবলীগ নেতা খালেদ দল থেকে বহিষ্কার

যুবলীগ নেতা খালেদ দল থেকে বহিষ্কার

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ ঢাকা দক্ষিণ মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তরফ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিনোদন

শুধু ফ্লোর নয় সালমান শাহর নামে হবে রাস্তা: শাকিব খান

শুধু ফ্লোর নয় সালমান শাহর নামে হবে রাস্তা: শাকিব খান

আমি যখন স্কুলে পড়তাম, তখন আমিও তার সিনেমা দেখতে যেতাম। সালমান শাহ ভক্তদের মতো আমারও পছন্দের একজন অভিনেতা। বৃহস্পতিবার সালমান শাহ’র জন্মোৎসবে উপস্থিত হয়ে রাজধানীর মতিঝিলের মধুমিতা প্রেক্ষাগৃহে চিত্রনায়ক শাকিব খান এসব কথা বলেন। এ সময় ঢাকায় চলচ্চিত্রের কিং খান আরও বলেন, নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে, কারণ আমার হাত দিয়ে তার মতো একজন মানুষের জন্মদিনের কেক কাটানো হচ্ছে। আমি আরও অনেক আনন্দিত হতাম যদি আজ তিনি আমার পাশে থাকতেন।