© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী: কিশোর বিপ্লবী থেকে ভারতের জাতির পিতা

শেয়ার করুন:
মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী: কিশোর বিপ্লবী থেকে ভারতের জাতির পিতা
feature-desk
০৭:৩৮ পিএম | ০৯ অক্টোবর, ২০১৯

মহাত্মা গান্ধীর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তার দেহভষ্ম নীল নদ, ভোলগা, টেমসসহ বিশ্বের প্রধান নদীগুলোয় ডুবানো হয়। আর কিছু অংশ সেলফ রিয়ালাইজেশন ফেলোশিপ লেক স্রাইনের মহাত্মা গান্ধী বিশ্ব শান্তি সৌধে একটি হাজার বছরের পুরনো চৈনিক পাথরের পাত্রে সংরক্ষণ করা হয়।

১৮৬৯: ০২ অক্টোবর পোর বন্দরের হিন্দু মোধ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।  

১৮৮৩: কস্তুরবাই মাখাঞ্জীকে বিবাহ করেন।

১৯৮৮: ৪ সেপ্টেম্বর লন্ডনে যান ব্যারিষ্টারি পড়তে।

১৮৯৩: এক বছরের জন্য আইন পেশার কাজ নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা যান।    

১৮৯৪: গান্ধী নাটাল ইন্ডিয়ান কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা করেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসরত ভারতীয়দের ঐক্যবদ্ধ করতে এ সংগঠনটি বড় ভূমিকা রাখে। 

১৮৯৭: জানুয়ারিতে ভারতে এক সংক্ষিপ্ত সফর শেষে আফ্রিকায় ফিরে আসার পর শ্বেতাঙ্গ দুস্কৃতিকারীদের একটি দল তাকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করে।

১৯০৬: আফ্রিকায় বসবাসরত ভারতীয়দের নিবন্ধনে বাধ্য করানোর একটি আইন পাশ করা হলে গান্ধীর নেতৃত্বে গণ প্রতিরোধ গড়ে উঠে।

১৯১৫: ভারতে ফিরে এসে স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা করেন। ৯ জানুয়ারি তার ফিরে আসার দিনটিকে প্রবাসী ভারতীয় দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

১৯১৭-১৯১৮: মধ্যবর্তী সময়ে চম্পারণ ও খেদা আন্দোলনে প্রথম সাফল্য আসে।

১৯২০: ১ আগস্ট জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে পুরো ভারতজুড়ে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন।

১৯২১: সালের ডিসেম্বরে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নির্বাহী দায়িত্বপ্রাপ্ত হন মহাত্মা গান্ধী।

১৯২২: সালের ১০ মার্চ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে তাকে ৬ বছরের কারাদণ্ড দেয় ব্রিটিশ সরকার।

১৯২৪: এপেন্টিসাইটিসের চিকিৎসা করিয়ে মেয়াদের আগেই মুক্তি দেয় ব্রিটিশ সরকার।

১৯৩০: সালে লবণের উপর কর বাতিলের দাবিতে প্রায় একমাস পায়ে হেটে ভারতের এলাহাবাদ থেকে ডান্ডিতে পৌঁছান। এসময় হাজারো অনুসারী তার পিছু নেয়।

১৯৩৪: গ্রীষ্মকালে তাকে হত্যার জন্য তিনটি ব্যর্থ চেষ্টা চালানো হয়।

১৯৪৮: ৩০ জানুয়ারি দিল্লির বিরলা হাউসে এক রাত্রিকালীন পথসভায় গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়।

১৯৪৯: ১৫ নভেম্বর গান্ধীহত্যার দায়ে নাথুরাম বিনায়ক গডসে ও তার সহযোগী নারায়ণ আপতের ফাঁসি হয়।

 

টাইমস/এমএস 

 

মন্তব্য করুন