শেয়ারবাজারে আসার অনুমোদন পেল রবি
বহুজাতিক কোম্পানি গ্রামীণফোনের পর প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজর থেকে টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেলো মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড। বুধবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) রবির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও অনুমোদন করেছে।
বহুজাতিক কোম্পানি গ্রামীণফোনের পর প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেলো মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড। বুধবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) রবির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও অনুমোদন করেছে।
বুধবার বিএসইসি’র ৭৪১তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবায়ত-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় চার কমিশনার উপস্থিত ছিলেন। পরে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় রবি আজিয়াটা লিমিটেডের আইপিওর অনুমোদনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। রবি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৫২ কোটি ৩৭ লাখ ৯৩ হাজার ৩৩৪টি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে বাজার থেকে ৫২৩ কোটি ৭৯লাখ ৩৩ হাজার ৩৪০ টাকা সংগ্রহ করবে।
এর মধ্যে ১৩ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ৯৩৪ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১৩৬ কোটি ৫ লাখ ৯ হাজার ৩৪০ টাকা সংগ্রহ করবে।
এর আগে ২০০৯ সালে মুঠোফোন অপারেটরদের মধ্যে প্রথম কোম্পানি হিসেবে গ্রামীণফোন শেয়ারবাজারে যুক্ত হয়। আর এ খাতের দ্বিতীয় কোম্পানি হিসেবে শেয়ারবাজারে আসার অনুমোদন পেল রবি।
আইপিওতে আসতে রবির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। ১৯৯৭ সালে টেলিকম মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল (বাংলাদেশ) একটেল ব্র্যান্ড নামে কোম্পানিটি কাজ শুরু করে। ২০১০ সালে কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে রবি আজিয়াটা লিমিটেড করা হয়। ২০১৬ সালে এয়ারটেল বাংলাদেশের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার পরে কোম্পানিটি দ্বিতীয় বৃহত্তম টেলিকম অপারেটর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং একই নাম ধরে রেখেছে।
মালয়েশিয়ার টেলিকম জায়ান্ট আজিয়াটা গ্রুপ বেরহাদের কাছে রবি আজিয়াটার ৬৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ নিয়ন্ত্রণকারী শেয়ার রয়েছে। কোম্পানিটির অন্যান্য শেয়ারহোল্ডাররা হলেন দিল্লিভিত্তিক ভারতী এয়ারটেল এবং টোকিওভিত্তিক এনটিটি ডকোমো।
টাইমস/এইচইউ