© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

এবার মুদির দোকানে মিলছে গঙ্গাজল

শেয়ার করুন:
এবার মুদির দোকানে মিলছে গঙ্গাজল
international-desk
০৯:৫৬ এএম | ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

ডাকঘর, শহুরে বিপণী, অনলাইন, দশকর্মা ভাণ্ডারের পরে এবার মুদির দোকানে মিলছে গঙ্গাজল। কলকাতার নাগেরবাজার বটতলায় এক মুদি দোকানি বোতলজাত করে ফর্দ আউড়ে বিক্রি করছেন এই গঙ্গাজল।

ডাকঘর, শহুরে বিপণী, অনলাইন, দশকর্মা ভাণ্ডারের পরে এবার মুদির দোকানে মিলছে গঙ্গাজল। কলকাতার নাগেরবাজার বটতলায় এক মুদি দোকানি বোতলজাত করে ফর্দ আউড়ে বিক্রি করছেন এই গঙ্গাজল।

মুদির দোকানে গঙ্গাজল বিক্রি হতে দেখে ক্রেতারাও অবাক হচ্ছেন। সম্প্রতি এক ক্রেতা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে গঙ্গাজলের বোতলের গায়ে সাঁটানো স্টিকার দেখছিলেন। আর তখন দোকান মালিক ওই ক্রেতার কানে ফিসফিস করে বলেন, ‘‘আহা, এত দেখার কী আছে কর্তা, বিশ্বাসে মিলায় গঙ্গা, বাসে বহু দূর...!’’

বটতলার মুদিখানা দোকানের মালিক রবীন পাল ও শ্যামল পাল বলছেন, ‘‘বাইরে থেকে টলটলে জল দেখলে হবে? একটু ঝাঁকিয়ে নিন। ঝাঁকালেই জল ঘোলা হয়ে যাচ্ছে। জোয়ারের সময়ে এই জল বোতলজাত করা হয়েছে।” যা বোতলের লেবেলেও লেখা আছে।

এ নিয়ে সেখানকার বাসিন্দা আলো খান বলছেন, ‘‘বাড়িতে গৃহদেবতা রয়েছে। রোজ পুজো করি। কিন্তু গঙ্গায় গিয়ে জল আনা সম্ভব নয়। তাই পাড়ার দোকান থেকেই কিনে নিই।’’

তবে, পাশের এক ফ্ল্যাটবাসী সবিতা বিশ্বাসের আবার এই গঙ্গাজলের প্রতি বিশ্বাস নেই। তিনি বলছেন, ‘‘ও কিসের না কিসের জল, তার ঠিক নেই। ভরসা পাই না। তাই বাড়ির কর্তা গঙ্গাস্নানে গেলে তাকে দিয়েই জল আনিয়ে নিই।’’

ডাক বিভাগের এক কর্তা জানাচ্ছেন, ডাকঘরে ২০১৬ সাল থেকে গঙ্গাজল বিক্রি হচ্ছে। ২০০ মিলিলিটারের বোতলের দাম ৩০ টাকা। সেই গঙ্গাজল শহরাঞ্চলে তো বটেই, গ্রামেও বিক্রি হচ্ছে।

দোকানি শ্যামল পাল বলছেন,তাদের দোকানে ২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে এক লিটার গঙ্গাজল। বড়বাজার থেকে একজন এসে আমাদের মতো বহু দোকানেই গঙ্গাজল দিয়ে যায়। দিনে অন্তত ছ’-সাত বোতল বিক্রিও হচ্ছে।

 

টাইমস/জিএস

মন্তব্য করুন