© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আবরার হত্যা নিয়ে বিবৃতি: জাতিসংঘের প্রতিনিধিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

শেয়ার করুন:
আবরার হত্যা নিয়ে বিবৃতি: জাতিসংঘের প্রতিনিধিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
own-reporter
০২:২৪ পিএম | ১৩ অক্টোবর, ২০১৯

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের(বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিবৃতির জন্য বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পোকে তলব করে ব্যাখ্যা চেয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বুধবার বেলা ১১টার দিকে মিয়া সেপ্পো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাজির হয়ে জাতিসংঘ উইংয়ের মহাপরিচালক নাহিদা সোবহানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের(বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিবৃতির জন্য বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পোকে তলব করে ব্যাখ্যা চেয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে মিয়া সেপ্পো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাজির হয়ে জাতিসংঘ উইংয়ের মহাপরিচালক নাহিদা সোবহানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘের ঢাকা অফিস যে বিবৃতি দিয়েছিল, সে বিষয়ে আবাসিক প্রতিনিধির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয় বলে জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা।

গত ৬ অক্টোবর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক চুক্তি নিয়ে সমালোচনা করে ফেসবুকে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদ।পরদিন রাতে বুয়েট শেরে বাংলা হলের একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী।

৯ অক্টোবর জাতিসংঘ এক বিবৃতিতে এ হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানানোর পাশাপাশি স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের আহ্বান জানায়।

মিয়া সিপ্পো রোববার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তলবের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কোনো মন্তব্য করেননি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, জাতিসংঘ প্রতিনিধিকে তারা দুটি বিষয়ে বলেছেন।

‘প্রথমত, মুক্তভাবে নিজের মতপ্রকাশের জন্য বুয়েট ছাত্র আবরারকে হত্যা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করা হয়েছে জাতিসংঘের বিবৃতিতে, যা সঠিক নয়। ভারতের সঙ্গে করা চুক্তি নিয়ে অনেকেই নানা মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা-মন্তব্য করেছেন। সরকার কাউকে তার মত প্রকাশে বাধা দেয়নি। এমনকি আবরার খুন হওয়ার আগ পর্যন্ত সে ফেসবুকে কী লিখেছে, তা সরকারের ধারণায় ছিল না। দ্বিতীয়ত, উন্নত বিশ্বে যখন কোনো ছাত্র হত্যার ঘটনা ঘটে, তখন তা নিয়ে জাতিসংঘকে কথা বলতে দেখা যায় না। বাংলাদেশে কোনো ঘটনা ঘটলেই তাকে মত প্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে জড়ানো হয় কেন।’

 

টাইমস/এসআই

মন্তব্য করুন