© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

২৮ বছর পর নতুন ডাকসুর প্রথম সভা

শেয়ার করুন:
২৮ বছর পর নতুন ডাকসুর প্রথম সভা
central-desk
১২:৩৭ পিএম | ২৩ মার্চ, ২০১৯

২৮ বছর পর আবার সক্রিয় হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। নির্বাচনের পর শনিবার সকালে ডাকসু ভবনে প্রথম সভা শুরু হয়েছে। এই বৈঠকে ভিপি নুরুল হক নুরসহ ডাকসুর নবনির্বাচিত নেতারা অংশ নিচ্ছেন। ১৯৯০ সালের ৬ জুলাই ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন হয়। ডাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলার হল রুমে সকাল সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া এই সভায় সভাপতিত্ব করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।

২৮ বছর পর আবার সক্রিয় হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। নির্বাচনের পর শনিবার সকালে ডাকসু ভবনে প্রথম সভা শুরু হয়েছে। এই বৈঠকে ভিপি নুরুল হক নুরসহ ডাকসুর নবনির্বাচিত নেতারা অংশ নিচ্ছেন। ১৯৯০ সালের ৬ জুলাই ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন হয়।

ডাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলার হল রুমে সকাল সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া এই সভায় সভাপতিত্ব করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।

উপাচার্য পদাধিকার বলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বাকিরা নির্বাচিত হন ছাত্রদের মধ্য থেকে।

নতুন ডাকসুর প্রথম কার্যকরি সংসদের বৈঠকে অংশ নিতে সকাল সাড়ে ১১টার আগেই ডাকসু ভবনে উপস্থিত হন নুর। তার সঙ্গে সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেনও ছিলেন। নতুন ডাকসুর এই দুই নেতা সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা। বাকি সবাই ছাত্রলীগের।

নুরের মতোই পাঞ্জাবি পরে বৈঠকে আসেন নতুন জিএস গোলাম রাব্বানী। এজিএস সাদ্দাম হোসেনসহ অন্যরাও উপস্থিত আছেন।

বহু প্রতীক্ষিত এই সভা শুরুর আগে ফটো তোলার জন্য আলোকচিত্রীদের সামনে আসেন ডাকসুর নেতারা। তারপর তারা বসেন বৈঠকে।

এই বৈঠকে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে আগামী এক বছরের জন্য দায়িত্ব নেওয়া ডাকসু নেতাদের।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রীতি অনুযায়ী নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিরা পরে অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন।

দীর্ঘ তিন দশক পর গত ১১ মার্চ ডাকসু এবং ১৮টি হল সংসদের নির্বাচন শেষ হয় কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগে কয়েকটি প্যানেলের বর্জনের মধ্যে দিয়ে।

কোটা আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, বাম জোট, ছাত্রদল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দুটি জোটের প্যানেল নতুন করে নির্বাচন দেওয়ার দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা দেয়।

ডাকসুতে ২৫টি পদের ২৩টিতে সরকার সমর্থক ছাত্রলীগ জিতলেও ভিপিসহ দুটি পদে জয় পায় কোটা সংস্কার দাবির আন্দোলনকারীদের প্যানেল। নূর ভিপির দায়িত্ব নিলেও পুনর্নির্বাচনের দাবিকেও সমর্থন করছেন।

 

 

টাইমস/এসআই

মন্তব্য করুন