© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

১১ দফা দাবিতে ধর্মঘটে সাকিব-তামিমরা, অনিশ্চিত ভারত সফর

শেয়ার করুন:
১১ দফা দাবিতে ধর্মঘটে সাকিব-তামিমরা, অনিশ্চিত ভারত সফর
own-reporter
০৪:৩২ পিএম | ২১ অক্টোবর, ২০১৯

ক্রিকেটারদের দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভ এবার বাস্তবে রূপ নিলো। পারিশ্রমিক বাড়ানোসহ ১১ দফা দাবিতে জোট বেঁধেছেন বাংলাদেশের শীর্ষ ক্রিকেটাররা। দাবি-দাওয়া না মানলে সব ধরনের ক্রিকেট বর্জন করে ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

ক্রিকেটারদের দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভ এবার বাস্তবে রূপ নিলো। পারিশ্রমিক বাড়ানোসহ ১১ দফা দাবিতে জোট বেঁধেছেন বাংলাদেশের শীর্ষ ক্রিকেটাররা। দাবি-দাওয়া না মানলে সব ধরনের ক্রিকেট বর্জন করার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

সোমবার দুপুরে মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এমনটি জানান ক্রিকেটাররা।

সোমবার দুপুরে বিসিবিতে এসে জমায়েত হন ক্রিকেটাররা। শুরুতে মিরপুর স্টেডিয়ামে এসে বিসিবির কাছে নিজেদের দাবি-দাওয়ার কথা জানান তারা। পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন খেলোয়াড়রা।

ক্রিকেটারদের মুখপাত্র হিসেবে সাকিব জানিয়েছেন, জাতীয় দল থেকে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারসহ সবাই এই ধর্মঘটের অন্তর্ভুক্ত। তা আজ থেকেই কার্যকর। এখানে জাতীয় দলের প্রস্তুতি বলেন আর আন্তর্জাতিক বলেন সবগুলোই অন্তর্গত।

দাবিদাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্রিকেট কার্যক্রমে অংশ নেবেন না ক্রিকেটাররা। তবে যেহেতু অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সামনে বিশ্বকাপ আছে, তাই তাদেরকে এই ধর্মঘটের আওতায় রাখা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সাকিব।

সাকিব বলেন, আলোচনা সাপেক্ষে অবশ্যই সবকিছুর সমাধান হবে। দাবিগুলো যখন মানা হবে তখন আমরা স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে যাব।

তিনি বলেন, আমরাও সবাই চাই ক্রিকেটের উন্নতি হোক। এখানে একটা ক্রিকেটার কেউ তিন-চার বছর খেলবে, কেউ দশ বছর আছে। যারা ভবিষ্যতে আসবে, তাদের জন্য আমরা একটা ভালো পরিবেশ রেখে যেতে চাই যেখান থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেট সামনে এগিয়ে যাবে।

ক্রিকেটারদের এই ধর্মঘটের কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বাংলাদেশের ভারত সফর। এ সময় মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, মাহমুদুল্লাহসহ জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটাররা উপস্থিত ছিলেন। সঙ্গে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটাররাও উপস্থিত ছিলেন।

গত মাসে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক মডেল থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় বিসিবি। নিজেদের আয়োজনে সব কিছু করবে এমন সিদ্ধান্ত আসায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ক্রিকেটাররা। কমে যেতে পারে উপার্জন। এমনকি এই মাসে শুরু হওয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ম্যাচ ফি না বাড়াতে বিসিবির ওপর আরও বেশি ক্ষুব্ধ হয়েছেন তারা।

চলতি জাতীয় লিগে আশ্বাস দিয়েও বাড়ানো হয়নি এই ম্যাচ ফি। আগের মতোই প্রথম স্তরের ম্যাচ ফি ৩৫ হাজার ও দ্বিতীয় স্তরের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি রাখা হয়েছে ২৫ হাজার। এ নিয়ে বেশ কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটার এর আগেও অসন্তোষের কথা জানিয়েছিলেন। এছাড়া ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে দল বদল চেয়েছিলেন ক্রিকেটাররা।

বেশ কয়েকমাস ধরেই পেশাদার ক্রিকেটাররা তাদের উদ্বিগ্নের বিষয়টি জানিয়ে আসছিলেন। এর মধ্যেই এই ধর্মঘটের ঘোষণা আসল।

 

টাইমস/এইচইউ

মন্তব্য করুন