© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

শিশু জন্মের পর ৬ বছর বাবা-মার ঘুম হয়না

শেয়ার করুন:
শিশু জন্মের পর ৬ বছর বাবা-মার ঘুম হয়না
feature-desk
০৮:৩৩ এএম | ০২ মার্চ, ২০১৯

একটি শিশু জন্ম দেয়া থেকে শুরু করে বড় করা পর্যন্ত বাবা-মা যে কত কষ্ট করেন, তা সবারই জানা। আর এটাও সবাই জানে যে, সন্তান জন্মের পর বাবা-মায়ের ঠিকমত ঘুম হয় না। বিশেষ করে মায়ের। কিন্তু কেউ কি কখনো চিন্তা করতে পারেন যে, সন্তান জন্ম দেয়ার পর টানা ছয় বছর পর্যন্ত বাবা-মা ভালো করে ঘুমাতে পারেন না?

একটি শিশু জন্ম দেয়া থেকে শুরু করে বড় করা পর্যন্ত বাবা-মা যে কত কষ্ট করেন, তা সবারই জানা। আর এটাও সবাই জানে যে, সন্তান জন্মের পর বাবা-মায়ের ঠিকমত ঘুম হয় না। বিশেষ করে মায়ের। কিন্তু কেউ কি কখনো চিন্তা করতে পারেন যে, সন্তান জন্ম দেয়ার পর টানা ছয় বছর পর্যন্ত বাবা-মা ভালো করে ঘুমাতে পারেন না?

হ্যাঁ, গবেষণা বলছে, সন্তান জন্ম দেয়ার পর থেকে টানা ছয় বছর পর্যন্ত বাবা-মায়ের পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। আর ঘুম হলেও সেটা স্বাস্থ্যসম্মত হয় না।

যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণাদল ২০০৮-২০১৫ সালে সন্তান জন্মদানকারী ৪হাজার ৬৫৯জন বাবা-ময়ের উপর এই গবেষণাটি করেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, সন্তান জন্মদানের প্রথম তিন মাস একজন মা পূর্বের থেকে প্রতিদিন গড়ে এক ঘণ্টা করে কম ঘুমিয়েছেন। যেখানে একজন বাবার ক্ষেত্রে এই সময়টা গড়ে প্রায় পনেরো মিনিট করে কম।

গবেষকদের মতে, সন্তান জন্মের পর থেকে প্রায় ছয় বছর পর্যন্ত বাবা-মায়ের ঘুমের পরিমাণ এবং ঘুম থেকে পাওয়া সন্তুষ্টি পূর্বের স্বাভাবিক সময়ের ঘুমের মত হয় না।

ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সাকারি লেমোলা বলেন, আধুনিক যুগে এসেও দেখা যায় সন্তান জন্ম দেয়ার পর তার দেখাশোনা ও লালন-পালনের ক্ষেত্রে বাবার তুলনায় প্রধানত মাকেই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে হয়। তাই সন্তান জন্মের পর বাবার তুলনায় মায়ের ঘুমেই সবচেয়ে বেশি ব্যাঘাত ঘটে।

অন্যদিকে যেসব বাবা-মা প্রথমবারের মত সন্তান জন্ম দেন, অভিজ্ঞ বাবা-মা থেকে তাদের ঘুমের সমস্যা আরও বেশি হয়। একই সঙ্গে প্রথম দেড় বছর যেসব মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান অন্যদের থেকে তাদের ঘুমের সমস্যা বেশি হয়।

“বিশেষ করে প্রথম সন্তান বাবা-মায়ের আনন্দের সবচেয়ে বড় উৎস হয়ে ওঠে। তাই প্রথম সন্তান পাওয়ার পর বাবা-মায়ের প্রত্যাশা ও দায়িত্ব স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে, যা তাদের ঘুমের পরিমাণ ও মান দুটিই হ্রাস করে”- বলেছেন গবেষক লেমোলা।

 

টাইমস/এএইচ/জিএস

মন্তব্য করুন