© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

৫ বছরেই দেশকে সোনার খনিতে রূপান্তর সম্ভব: বাণিজ্য উপদেষ্টা

শেয়ার করুন:
৫ বছরেই দেশকে সোনার খনিতে রূপান্তর সম্ভব: বাণিজ্য উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৪১ পিএম | ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
‘ভবিষ্যতের সরকার যেন সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বাজার পরিচালনা করে। নিরপেক্ষ সংস্কার করলে বাজার ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে এবং সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত হবে। সঠিক রাজনৈতিক নেতৃত্বে পাঁচ বছরেই দেশকে সোনার খনিতে রূপান্তর করা সম্ভব।’

গতকাল শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে চট্টগ্রামের  হোটেল রেডিসন ব্লুতে ‘ব্যবসার ভবিষ্যৎ: উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়ন’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসা গবেষণা ব্যুরো আয়োজিত সম্মেলনে উপদেষ্টা বলেন, আমাদের দেশে পণ্য তৈরির কাঁচামালের অভাব রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে সে অভাব পূরণ করতে পারে। যে যত চেষ্টা করবে, সে ততটা অর্জন করতে পারবে। তিনি বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনায় পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিগত রমজানে সরকারের অর্থ বিভাগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সামগ্রিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক রাখায় নিত্য পণ্যের দাম কম ছিল।

৫ আগস্টের পর বাজারকে সঠিক পথে পরিচালিত করা চ্যালেঞ্জ ছিল উল্লেখ করে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, আপনারা জানেন তখন তথাকথিত সিন্ডিকেটের অনেক সদস্য দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল। এমন অবস্থায় সরবরাহ ঠিক রাখা ছিল খুবই জটিল। সরকারের সামগ্রিক প্রচেষ্টায় সে অবস্থা থেকে আমরা উন্নীত হতে  সক্ষম হই।
 
বাণিজ্য উপদেষ্টা আরো বলেন, শেখ হাসিনার পতনের পর আমাদের রিজার্ভ ১০ বিলিয়নের মতো ছিল। বিভিন্ন দেশের কাছে, প্রতিষ্ঠানের কাছে আমাদের দায় ছিল ছয় বিলিয়ন। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আমরা সব দায় পরিশোধ করেছি। বর্তমানে দেশের রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন ডলার।

ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সরকারে কাছে প্রত্যাশা কি?- এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসক তাদের খারাপ কাজে বেশ কিছু সহযোগী তৈরি করেছিল। দেশের অর্থনীতিতে সেসব সহযোগীর কোনো ভূমিকা ছিল না। বরং তারা বাজার ব্যবস্থাপনাকে অস্থিতিশীল করেছিল। সম্পদের বন্টন ছিল মারাত্মক সামঞ্জস্যহীন। 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. তৈয়ব চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান মুসলিম চৌধুরী। পরে ব্যবসা বাণিজ্যে বিশেষ অবদান রাখায় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন উপদেষ্টা।

এসএস/টিএ

মন্তব্য করুন