© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

থাপ্পড় দিয়ে শিক্ষার্থীর কানের পর্দা ফাটলেন প্রধান শিক্ষক

শেয়ার করুন:
থাপ্পড় দিয়ে শিক্ষার্থীর কানের পর্দা ফাটলেন প্রধান শিক্ষক
district-correspondent
০৭:৩৬ পিএম | ২০ নভেম্বর, ২০১৯

ফরিদপুরের নগরকান্দায় শিক্ষার্থীকে থাপ্পড় দিয়ে কানের পর্দা ফাটিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের ‍প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বুধবার প্রধান শিক্ষকের অপসারণসহ শিক্ষার্থী নির্যাতনের বিচারের দাবিতে ঝাড়ু মিছিল করেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এর আগে সোমবার উপজেলার চর যশোরদী হাজী আবদুল মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

ফরিদপুরের নগরকান্দায় শিক্ষার্থীকে থাপ্পড় দিয়ে কানের পর্দা ফাটিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের ‍প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় বুধবার প্রধান শিক্ষকের অপসারণসহ শিক্ষার্থী নির্যাতনের বিচারের দাবিতে ঝাড়ু মিছিল করেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এর আগে সোমবার উপজেলার চর যশোরদী হাজী আবদুল মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম জাকির হোসেন। তিনি ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

আর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম আজিম শেখ। সে ওই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তাকে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সোমবার প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন বিদ্যালয় চলাকালীন নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আজিম শেখকে থাপ্পড় মেরে কানের পর্দা ফাঁটিয়ে ফেলে এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। সে ইতোপূর্বেও একাধিক শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছে। এছাড়া তার মুখের ভাষা অত্যন্ত অশালীন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে।

শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, বিদ্যালয়ে সুশিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হলে ওই প্রধান শিক্ষককে অপসারণ করতে হবে। সেই সাথে শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের ঘটনায় তাকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ প্রদান করেছে শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয়ে সুশিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে, প্রধান শিক্ষকের অপসারণসহ শিক্ষার্থী নির্যাতনের বিচারের দাবিতে বুধবার সকালে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঝাড়ু মিছিল করে।

এ ব্যাপারে নিজের ভুল স্বীকার করে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, আমার ভুল হয়েছে। বিষয়টি মিটমাটের চেষ্টা করছি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আহসান মাহমুদ রাসেল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

 

টাইমস/এইচইউ

মন্তব্য করুন