ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ বলেছেন, দেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংকট প্রমাণ করে যে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরও প্রত্যাশিত মুক্তি পুরোপুরি আসেনি।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে পটুয়াখালীর বাউফল পাবলিক মাঠে বাউফল উন্নয়ন ফোরাম আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় এ কথা বলেন তিনি।
এসএম ফরহাদ বলেন, ‘৭৫, ৯৫ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরও শিক্ষার্থীরা যে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা বাস্তবে খুব কমই প্রতিফলিত হয়েছে। ক্ষমতায় আসা দলগুলো অতীতের ভুলে ফিরে গিয়েই চলছে। শিক্ষার্থীরা আর আগের সংঘাতমুখী রাজনীতি চায় না, অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে কোনো প্রভাব বিস্তারও তারা মেনে নিতে রাজি নয়।
তিনি আরও বলেন, ছাত্ররাজনীতির যেসব ক্যাম্পাসে আগে মাসল পাওয়ার বা অস্ত্রের আধিপত্য ছিল, সেখানে বর্তমানে শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধভাবে এসব প্রবণতা ঠেকিয়ে দিচ্ছেন। দিনের শেষে শিক্ষার্থীর বিজয়ই তরুণ প্রজন্মের বিজয়।
সম্প্রতি কিছু রাজনৈতিক নেতার গাড়িবহরে অস্ত্র নিয়ে হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এভাবে চলতে থাকলে জবাব মিলবেই। তরুণরা ভোট দেবেন সেই প্রার্থীকেই, যিনি ন্যায়বিচার, শিক্ষা সংস্কার, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি দমন এবং রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দেবেন। রাজনৈতিক পরিচয় নয়- মানদণ্ড হবে সততা ও সুশাসন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-২ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী এবং ঢাকার মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবি পরিচালক খালেদ মাসুদ পাইলট, জাতীয় ফুটবলের সাবেক তারকা কায়সার হামিদসহ গত বছরের জুলাই আন্দোলনে নিহত সাত শহীদের পরিবারের সদস্যরাও এতে যোগ দেন।
এসএস/টিএ