সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ঢাকা বিশ্বাবদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনের জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন চেম্বার আদালত।
রোববার (৩০ নভেম্বর) আদালত এ আবেদন খারিজ করেন। এর ফলে জামিনেই থাকবেন তিনি।
এর আগে এর আগে ২৪ নভেম্বর হাইকোর্ট ঢাবির আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনকে জামিন দেয়। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) তিনি কারামুক্ত হন।
গত ২৮ আগস্ট সকালে সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, হাফিজুর রহমানসহ অন্যরা ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) একটি গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিতে যান। ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজক ছিল ‘মঞ্চ ৭১’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নাম ছিল। তবে তিনি সেখানে ছিলেন না।
সকাল ১০টায় আলোচনা সভা শুরু হলে প্রথমে বক্তব্য দেন হাফিজুর রহমান। তার বক্তব্য শেষ হওয়ার পরই মিছিল নিয়ে একদল ব্যক্তি ডিআরইউ মিলনায়তনে ঢোকেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা গোলটেবিল আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে আলোচনায় অংশ নেয়া ব্যক্তিদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পুলিশের একটি দল আসে। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের কাছে লতিফ সিদ্দিকী, হাফিজুর রহমান, মঞ্জুরুল আলমসহ অন্তত ১৬ জনকে তুলে দেন।
আটকের ২৮ আগস্ট দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, হাফিজুর রহমান, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলমসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেয় পুলিশ।
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ৬ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল দিয়ে লতিফ সিদ্দিকী ও মঞ্জুরুল আলমকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে পৃথক আবেদন করে। শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ ১০ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে দেন। এতে তাদের হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল থাকে। এরপর ওই মামলায় হাফিজুর রহমানকে জামিন দেন আদালত।
টিকে/