টেলিকমিউনিকেশন অধ্যাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে : প্রেস সচিব
ছবি: সংগৃহীত
০৩:৪২ পিএম | ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আজ উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকে টেলিকমিউনিকেশন অধ্যাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আজকে বাংলাদেশ টেলি কমিউনিকেশন সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। আগে যে আইনটা ছিল সেটাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করা হয়েছে। এটার ফলে এনশিওর করা হয়েছে, যাতে বাংলাদেশের ভবিষ্যতে কোনো সময়ে ইন্টারনেট এক মিনিটের জন্য বন্ধ না হয়। এই বিষয়টা এখানে খুব একটা জোর দেওয়া হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ কাঠামো শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন মানে বিটিআরসি ক্ষমতা কার্যকারিতা ও জবাবদিহিতা সুসংহত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও সেবার মান নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতারণা ও অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধ করা হয়েছে। টেলিকমিউনিকেশন বা ইন্টারনেট মাধ্যমে অনেকে এই জালিয়াতি অসম্ভব রকমের বেড়ে গেছে। সেটাকে আসলে এড্রেস করাটা এখন খুবই জরুরি।
প্রেস সচিব বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও ডিজিটাল অবকাঠামো সুরক্ষায় আইনগত সুস্পষ্ট ভিত্তি সুস্পষ্ট করা হয়েছে। আইনগত ভিত্তি সুস্পষ্ট করা হয়েছে। বিনিয়োগবান্ধব ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে এই ল’য়ের মাধ্যমে। ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধান রাখা হয়েছে।
শফিকুল আলম বলেন, বিটিআরসির সার্বিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ‘স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কমিটি’ শীর্ষক একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ডিজিটাল অবকাঠামো সুরক্ষা প্রতারণা এবং অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট বিধান ও সংযোজন করা হয়েছে। অধ্যাদেশে সিআইএস (সেন্টার ফর ইনফরমেশন সাপোর্ট) নামে একটি কারিগরি প্ল্যাটফর্ম গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। অধ্যাদেশে আইন উপদেষ্টা প্রধান করে একটি কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলা স্বার্থে আইনানুক ইন্টারসেপশন সংক্রান্ত অনুবাদন প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট কার্যবলী কার্যাবলী সম্প্রদান করবে।
কেএন/টিএ