বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলার সদস্যসচিব মাহদী হাসানকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টায় তাকে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। আজ রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে তার জামিন শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন আদালত।
এর আগে, শনিবার রাত পৌনে ৮টায় হবিগঞ্জ শহরের শাস্তানগর এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সদর থানার সামনে অবস্থান নেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। এসময় তারা মাহদীর মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন ও নানা স্লোগান দেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেনাবাহিনী এসে থানার সামনে অবস্থান নেয়।
এরপর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা থানায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।
শেষ পর্যন্ত রাতেই তাকে আদালতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক আরিফ তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ওসমান হাদি সারা বাংলাদেশে জন্মেছেন। এই মাহদী হবিগঞ্জের হাদি।
পুলিশ আমাদের বলেছে সন্তোষ হত্যার কোনো মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। থানায় সৃষ্ট পরিবেশের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা হয়েছে। ৫ আগস্টের ঘটনায় কোনো মামলা যেহেতু চলবে না, সেহেতু এ মামলায় গ্রেপ্তার করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা মাহদীকে জামিনে মুক্ত করে আনন্দ মিছিল করব। ততক্ষণ সবাইকে শান্ত থাকতে হবে।
তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
টিজে/টিএ