© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

এলপিজির কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে আইনি ব্যবস্থার নির্দেশনা

শেয়ার করুন:
এলপিজির কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে আইনি ব্যবস্থার নির্দেশনা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৪৯ পিএম | ০৪ জানুয়ারি, ২০২৬
দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং বাজারে কোনো প্রকৃত সংকট নেই। তবে কিছু অসাধু খুচরা বিক্রেতা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোর অপচেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এ ধরনের অনিয়ম ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আজ রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সম্প্রতি খুচরা পর্যায়ে এলপিজির দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বিকালে জ্বালানি বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে এলপিজি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও অপারেটরদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এলপিজিকে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি (গ্রিন ফুয়েল) হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এলসি সহজীকরণ, আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট হ্রাসসহ কয়েকটি দাবি উত্থাপন করা হয়। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আজই বাজারে সৃষ্ট কৃত্রিম সংকটের বিরুদ্ধে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেবে। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য কেবিনেট বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এসব পদক্ষেপের ফলে খুব দ্রুত এলপিজি বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং ভোক্তারা স্বস্তি ফিরে পাবে বলে মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করেছে। বৈঠকে আলোচনার ভিত্তিতে জানানো হয়, দেশে বর্তমানে এলপিজির পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।

২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে এলপিজি আমদানির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫ হাজার টন, যা ডিসেম্বর ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার টনে। অর্থাৎ আমদানি বৃদ্ধির পরও বাজারে সরবরাহ সংকটের কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। তবে বৈশ্বিক বাজারমূল্য বৃদ্ধি, জাহাজ সংকট এবং কিছু কার্গোর ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে আমদানি পর্যায়ে সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানানো হয়। এ অবস্থার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজির দাম বাড়াতে পারে, এমন পূর্বানুমানের ভিত্তিতে কিছু খুচরা বিক্রেতা কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে বলে বৈঠকে অভিযোগ ওঠে।

এবি/এসএন

মন্তব্য করুন