ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর স্ত্রী ও দেশটির ফার্স্ট লেডি ব্রিজিত ম্যাক্রোঁকে অনলাইনে হেনস্থা (সাইবার বুলিং) করার অপরাধে ১০ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে প্যারিসের একটি আদালত। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্রিজিত ম্যাক্রোঁর লিঙ্গ পরিচয় ও যৌনতা নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো এবং প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার ২৪ বছরের বয়সের ব্যবধান নিয়ে বিদ্বেষপরায়ণ মন্তব্য করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
সোমবার (৫ই জানুয়ারি) আদালতের রায়ে আটজন পুরুষ এবং দুইজন নারীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। বিচারক উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা ব্রিজিত ম্যাক্রোঁকে অপমান ও হেয় করার স্পষ্ট উদ্দেশ্য নিয়েই অনলাইনে অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে অধিকাংশকেই আট মাস পর্যন্ত স্থগিত কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় একজনকে অবিলম্বে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া কয়েকজনের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টও স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
ব্রিজিত ম্যাক্রোঁর আইনজীবী জঁ এনোচি রায়ের পর বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অপরাধীদের কিছু অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা।
২০১৭ সালে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়ানো হয়, ব্রিজিত ম্যাক্রোঁ একজন ট্রান্সজেন্ডার নারী এবং তিনি মূলত পুরুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এই তত্ত্বে দাবি করা হয়েছিল, ব্রিজিত আসলে তার ভাই জঁ-মিশেল ট্রোগনিউক্স, যিনি পরবর্তীতে লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন।
তথ্যসূত্র বিবিসি
পিএ/টিকে