ন্যাটো মিত্রদেশগুলোর ইউরোপীয় নেতাদের একটি নতুন যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গ্রিনল্যান্ড তার জনগণের অধীন’ এবং আর্কটিকের এই দ্বীপ ও ডেনমার্কই কেবল তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে এর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার অভিপ্রায় বারবার পুনর্ব্যক্ত করার প্রেক্ষাপটে এই অবস্থান জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ন্যাটো স্পষ্ট করেছে যে আর্কটিক অঞ্চল একটি অগ্রাধিকার এবং ইউরোপীয় মিত্ররা দায়িত্ব বাড়াচ্ছে। আমরা এবং আরো অনেক মিত্র আমাদের উপস্থিতি, কার্যক্রম ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করেছি, আর্কটিক অঞ্চলকে নিরাপদ রাখতে এবং প্রতিপক্ষকে নিরুত্সাহিত করতে।
ডেনমার্কের রাজত্ব- গ্রিনল্যান্ডসহ ন্যাটোর অংশ।’
এতে আরো বলা হয়, ‘সুতরাং আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সমষ্টিগতভাবে, ন্যাটো মিত্রদের যুক্তরাষ্ট্রসহ- সঙ্গে সমন্বয়ে, জাতিসংঘ সনদের নীতি রক্ষা করে, যার মধ্যে রয়েছে সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং সীমান্তের অঙ্গহানির অগ্রহণযোগ্যতা। এগুলো সর্বজনীন নীতি এবং আমরা এগুলো রক্ষা করা বন্ধ করব না।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ন্যাটো মিত্র হিসেবে এবং ১৯৫১ সালে ডেনমার্কের রাজত্ব ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে এই প্রয়াসে যুক্তরাষ্ট্র একটি অপরিহার্য অংশীদার।
গ্রিনল্যান্ড তার জনগণের অধীন। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড এবং শুধু তারাই ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডসংক্রান্ত বিষয়গুলোতে সিদ্ধান্ত নেবে।’
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাখোঁ, জার্মানির চ্যান্সেলর মেৎস, ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি, পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী তুস্ক, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজ, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডেরিকসেন।
এমআই/এসএন