বিগত তিনটি নির্বাচনে যেসব নাগরিক পর্যবেক্ষক সংস্থা দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারেনি, তাদের আর পর্যবেক্ষক হিসেবে নিবন্ধন দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে এনজিও ব্যুরোর সম্মেলন কক্ষে নাগরিক পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে নতুন একটি নির্বাচন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
নাগরিক পর্যবেক্ষকদের নির্বাচন কমিশনের ‘তৃতীয় চক্ষু’ হিসেবে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, পর্যবেক্ষকদের নীতিমালার মধ্যে থেকেই সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য এখন পর্যন্ত ৮১টি সংস্থাকে নিবন্ধন দেয়া হয়েছে। নাগরিক পর্যবেক্ষকদের সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি আরও বলেন, পর্যবেক্ষকদের জন্য বয়সসীমা ২১ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। অল্প বয়সী পর্যবেক্ষকদের আবেগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে।
নির্বাচন কমিশনার জানান, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে আইনি সংস্কারসহ বেশ কিছু সংস্কার হয়েছে। অসম্পূর্ণ কাজগুলো সামনের দিনে সমাধান করা যেতে পারে। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে প্রত্যাশা অনেক। অনেকটা পিছনে পড়ে থাকায় ইলেকশন কমিশন এবং পর্যবেক্ষক সংস্থা বেশ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে।