ব্যাক টু ব্যাক এলসি কমছেই; আশার আলো নেই মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতেও। পাশাপাশি নেতিবাচক চিত্র দেখা যাচ্ছে পেট্রোলিয়াম আমদানিতে। উদ্যোক্তারা বলছেন, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে মন্দার প্রভাবেই ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি নেই, তাই বাড়ছে না এলসি।
গত চার মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে রফতানি আয়। কবে আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরবে রফতানি-সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বাংলাদেশ ব্যাংকে গিয়ে দেখা যায়, এলসির চিত্রেও নেই আশার আলো। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে নভেম্বর-এই পাঁচ মাসে রফতানি ক্রয়াদেশের বিপরীতে খোলা এলসি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ১২ দশমিক ৯০ শতাংশ। একই সময়ে এলসি নিষ্পত্তিও কমেছে ৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ।
এ সময় মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে এলসি খোলা কিছুটা বাড়লেও নিষ্পত্তির চিত্র হতাশাজনক। গত বছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ের তুলনায় এসব যন্ত্রপাতির এলসি নিষ্পত্তি কমেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। বাংলাদেশের নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন,
বাস্তব মাঠের চিত্র বলছে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য কার্যত আইসিইউতে। টিকে থাকার লড়াই চলছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে মূলধনী যন্ত্রপাতি আনার কোনো যৌক্তিকতা নেই। শিল্পখাতের জন্য প্রয়োজনীয় মধ্যবর্তী পণ্য আমদানির অবস্থাও ভালো নয়। এলসি খোলার পরিমাণ কিছুটা বাড়লেও নিষ্পত্তি কমেছে প্রায় সাড়ে ১৬ শতাংশ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এলসির এই হিসাবই প্রমাণ করে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এখনো মন্দার মধ্যেই রয়েছে।
ইউটি/এসএন