দীর্ঘ বিরতির পর আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে আবারও সরাসরি আকাশপথে যুক্ত হচ্ছে ঢাকা ও করাচি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এই ফ্লাইটটি পরিচালনার ক্ষেত্রে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সংকেত দিয়েছে ভারত।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, বিমান পরিষেবা চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের আবেদনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ভারতের এই সম্মতির ফলে ঢাকা-করাচি রুটে বিমানের ফ্লাইট চলাচল এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। এর আগে গত বুধবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, প্রাথমিক পর্যায়ে সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ও শনিবার এই রুটে বোয়িং উড়োজাহাজ চলাচল করবে। ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি পাওয়ায় ফ্লাইটের সময় ও খরচ দুই-ই সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিমানের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঢাকা থেকে ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় রাত ৮টায় ছেড়ে করাচি পৌঁছাবে রাত ১১টায়। ফিরতি পথে করাচি থেকে রাত ১২টায় ছেড়ে ভোর ৪টা ২০ মিনিটে সেটি ঢাকায় অবতরণ করবে। নতুন এই রুট চালুর ফলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। বিশেষ করে যারা পারিবারিক প্রয়োজনে নিয়মিত যাতায়াত করেন, তাদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি ফ্লাইট চালুর ক্ষেত্রে ভারতের আকাশসীমা ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ভারত বিমান পরিষেবা চুক্তির আওতায় এই বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখায় দক্ষিণ এশিয়ার আকাশপথে নতুন এক সহযোগিতার আবহ তৈরি হলো। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, আধুনিক উড়োজাহাজ ও অভিজ্ঞ ক্রুদের মাধ্যমে যাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করা হবে। এই রুটে যাত্রীদের আগ্রহের কথা মাথায় রেখে ভবিষ্যতে ফ্লাইটের সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।
টিজে/টিকে