যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার কয়েক দিন পর ভেনেজুয়েলা শনিবার কারাকাসে যুক্তরাষ্ট্রের দূতদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন নিয়ে আলোচনা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ভেনেজুয়েলা শুক্রবার জানায়, রাজধানীতে মার্কিন কূটনীতিকদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। বামপন্থী নেতাকে আটক করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশের ‘দায়িত্বে’ আছেন বলে দাবি করার পর সহযোগিতার এটিই সর্বশেষ ইঙ্গিত।
কর্মকর্তারা বলেন, দেশটির দূতাবাস পুনরায় চালু করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে মার্কিন দূতরা কারাকাসে অবস্থান করছেন।
একই সময়ে ওয়াশিংটনে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার বিপুল অপরিশোধিত তেল মজুদে প্রবেশের পরিকল্পনা নিয়ে তেল কম্পানিগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান গিল এক বিবৃতিতে বলেন, অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সরকার ‘যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে একটি অনুসন্ধানমূলক কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার লক্ষ্য উভয় দেশে কূটনৈতিক মিশন পুনঃস্থাপন’।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, প্রতিবেশী কলম্বিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক জন ম্যাকনামারা এবং অন্যান্য কর্মীরা ‘ধাপে ধাপে কার্যক্রম পুনরারম্ভের সম্ভাবনা যাচাই করতে প্রাথমিক মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে কারাকাসে গেছেন।’
ভেনেজুয়েলা জানায়, তারা এর জবাবে ওয়াশিংটনে একটি প্রতিনিধিদল পাঠাবে।
এক বিবৃতিতে রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুতর, অপরাধমূলক, অবৈধ ও অবৈধ-স্বীকৃত’ হামলার নিন্দা জানান এবং বলেন, ‘ভেনেজুয়েলা কূটনৈতিক পথেই এই আগ্রাসনের মোকাবেলা চালিয়ে যাবে।’
আরআই/টিকে