মানবতাবিরোধী অপরাধ

নিজেদের নির্দোষ দাবি করলেন সালমান এফ রহমান-আনিসুল হক

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং সাবেক আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক। এর পাশাপাশি ন্যায়বিচার চেয়েছেন তারা।

অভিযোগ গঠনের আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিশনের আনা অভিযোগের ব্যাপারে জিজ্ঞেসা করার পর তারা আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে এসব কথা বলেন। এদিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মানবতাবিরোধী অপরাধের এক মামলায় সোমবার সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় সূচনা বক্তব্য ও রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ঠিক করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। আদালতে আজ (সোমবার) আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশ পড়ে শোনান ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি। এ সময় ট্রাইব্যুনাল আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে দেন।

এছাড়া, ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি তাদের বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগও পড়ে শোনান। আদালত বলেন, এই আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের পর্যাপ্ত গ্রাউন্ড রয়েছে।

আদেশ পড়ে শোনানোর পর বিচারপতি দুই আসামিকে জিজ্ঞাসা করেন, আপনারা কি আপনাদের অপরাধের দোষ স্বীকার করেন? 

জবাবে আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমান দাবি করেন, তারা নির্দোষ এবং তারা ন্যায়বিচার চান। আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় হত্যার নির্দেশসহ পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। একইসঙ্গে, প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানকারীদের দমনে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে উসকানি দেওয়াসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং সাবেক আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে।

ইউটি/টিএ



Share this news on:

সর্বশেষ

img
এলপিজি আমদানি বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার: জ্বালানি উপদেষ্টা Jan 12, 2026
img
আরও ৮১ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক Jan 12, 2026
img
তাকে দেখিনি, চিনিও না : আদালতে মেহজাবীন Jan 12, 2026
img
ফোন প্রস্তুতকারকদের সোর্স কোড দিতে বাধ্য করতে চায় মোদি সরকার Jan 12, 2026
img
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা Jan 12, 2026
img
নির্বাচনের ট্রেন ট্রাকে উঠে গেছে : বদিউল আলম Jan 12, 2026
img
অমরীশের মৃত্যুবার্ষিকীতে জ্যাকির বিশেষ শ্রদ্ধা! Jan 12, 2026
img
বিজেএমসিতে নতুন চেয়ারম্যান, বেবিচকে নির্বাহী পরিচালক Jan 12, 2026
img
ভারতে বাংলাদেশের খেলার পরিবেশ নেই : আসিফ নজরুল Jan 12, 2026
img
সম্পর্ক ভাঙল শ্রীদেবী কন্যার! Jan 12, 2026
img
বাংলাদেশ-জাপান বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর ৬ ফেব্রুয়ারি Jan 12, 2026
img
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়র বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা ইডির Jan 12, 2026
img
৪ বছরেই বাবাহারা, কফিন জড়িয়ে আরিয়ার একটাই কথা ‘ভালোবাসি বাবা’ Jan 12, 2026
img
আপিল করেও প্রার্থীতা হারালেন ২৩ জন প্রার্থী Jan 12, 2026
img

প্রাক নির্বাচনী জনমত জরিপে

জনসমর্থনে ব্যবধান ১.১ শতাংশ, বিএনপি ৩৪.৭ ও জামায়াত ৩৩.৬ শতাংশ Jan 12, 2026
img
১৭ বছর পর তারেক রহমান! মুগ্ধতা নাকি বিতর্ক? আপনার ইন্টারভিউ চাই! Jan 12, 2026
img
অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ির পথে সুইডেন Jan 12, 2026
img
যুক্তরাষ্ট্রকে আলোচনার প্রস্তাব ইরানের, ট্রাম্প জানালেন ‘আগে হামলা’ Jan 12, 2026
img
প্রথম দেশ হিসেবে ‘স্টারলিংক’ অচল করে দিয়েছে ইরান Jan 12, 2026
img
টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান Jan 12, 2026