দেশের চলমান গ্যাস সংকট নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরণের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। একইসঙ্গে তিনি গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য ব্যক্তিগতভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ডের জবাব দিতে গিয়ে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন।
ফেসবুকে উপদেষ্টার নামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি তার নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সেটিকে 'ভুয়া হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং জনগণের সামনে সঠিক তথ্য তুলে ধরেন। স্ট্যাটাসে তিনি এলপিজি (লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস) সেক্টরের বর্তমান কাঠামো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেন।
উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষের মনে রাখা প্রয়োজন যে দেশের এলপিজি ব্যবসার প্রায় ৯৮ শতাংশই বর্তমানে বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণে। মূলত এলপিজি আমদানি, সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ এবং বাজারজাতকরণের সম্পূর্ণ দায়িত্ব বেসরকারি কোম্পানিগুলোই পালন করে থাকে। এ ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) ভূমিকা শুধুমাত্র গ্যাসের মূল্য নির্ধারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তিনি আরও জানান, এই পুরো প্রক্রিয়ায় জ্বালানি বিভাগের ভূমিকাও অত্যন্ত সীমিত।
স্ট্যাটাসের শেষ অংশে তিনি গ্যাস সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি স্বীকার করে নেন। তিনি লেখেন, গ্রাহকদের অসুবিধার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে দুঃখিত।
এবি/টিএ