ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকায় থাকলেও গণভোটের প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে।
তিনি বলেন, সংস্কারের জন্য সবাইকে হ্যাঁ ভোট দিতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এসেছে সংস্কারের জন্য। সুতরাং গণভোটে হ্যাঁ বিজয়ী হলেই ফ্যাসিবাদ চিরতরে বিদায় নেবে এবং সংস্কার স্থায়ী রূপ পাবে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটরিয়ামে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন ও উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, সেবা প্রত্যাশীদের ব্যক্তিগত উপাত্ত উদ্যোক্তাদের কাছে আমানত। ব্যক্তিগত উপাত্ত সুসমন্বিতভাবে হস্তান্তর না হলে নাগরিকের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। সরকার জনগণের হয়রানি ও শ্রমঘণ্টা লাঘব করার জন্য নাগরিক সেবা বাংলাদেশ চালু করেছে।
নাগরিক সেবার মাধ্যমে জনগণ যেন একই প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন সেবা পেতে পারে সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে সরকার। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলা হচ্ছে। তিনি নাগরিক সেবার প্রতি জনগণের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জনের মনোবৃত্তি নিয়ে উদ্যোক্তাদের কাজ করার আহ্বান জানান।
বিশেষ সহকারী বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকার নিরপেক্ষ, কিন্তু গণভোটের বিষয়ে হ্যাঁ-এর পক্ষে। জনকল্যাণমূলক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়তে আমাদের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদান করতে হবে।
খুলনা জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এটুআই’র প্রকল্প পরিচালক মোহা. আব্দুর রফিক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজ।
স্বাগত বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজা। উদ্যোক্তা সম্পর্কে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন, এটুআই’র হেড অব ম্যানেজমেন্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম। চিফ টেকনোলজি এডভাইজার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সিনিয়র কনসালটেন্ট (উপ-সচিব) ফজলুল জাহিদ পাভেল, হেড অব কমিউনিকেশন মোহাম্মদ সফিউল আযম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রশিক্ষণে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোর জেলার প্রায় পাঁচ শ উদ্যোক্তা অংশ নেন।
এবি/টিকে