জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাগেরহাটে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। সরকারি ছুটির দিনেও প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) জেলার বিভিন্ন স্থানে সভা ও গণসংযোগের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিশ্রুতি ভোটারদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়েছেন তারা।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় রামপাল উপজেলার গিলাতলা সরকারি বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে তার নির্বাচনী প্রচারণা সভা করেন।
বাঁশতলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ আব্দুল্লাহ আজমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফরিদুল ইসলাম বলেন, 'বাগেরহাট-৩ আসনের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত। আমি নির্বাচিত হলে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব।'
উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন ও সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন বাবু, সাবেক বিচারক শেখ জালাল উদ্দিন ও জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট বোরহান খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা রুমা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সুব্রত মজুমদার এবং যুবদল-ছাত্রদলের স্থানীয় শীর্ষ নেতারা।
এদিকে বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন ঐতিহাসিক খানজাহান আলী মাজার মোড়ে এক বিশাল জনসভা করেন। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে তিনি বলেন, এলাকার প্রকৃত উন্নয়নের জন্য পরিবর্তনের বিকল্প নেই।” সভায় হাজারো নেতাকর্মী ধানের শীষের স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন।
একই দিনে বাগেরহাট-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ মনজুরুল হক রাহাদ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন। তিনি ভোটারদের কাছে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলার প্রতিশ্রুতি দেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রচারণার এই তুঙ্গে থাকা উৎসবমুখর পরিবেশ নির্বাচনের দিন পর্যন্ত বজায় থাকলে ভোটার উপস্থিতিও সন্তোষজনক হবে।
ইউটি/টিএ