প্রতিবছর শীতের সময় রাজধানী ঢাকায় বায়ুদূষণ বাড়ে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকায় এই মেগাসিটিতে বেশিরভাগ সময় দূষণের মাত্রা বেশিই থাকছে। গতদিনের তুলনায় আজ শহরটির দূষণের মাত্রা কিছুটা বেড়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, ২৮৬ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা। গত শুক্রবার শহরটির স্কোর ছিল ২৬৭। এ হিসাবে গতকালের তুলনায় দূষণের মাত্রা কিছুটা বাড়লেও বায়ুমানের দুটি স্কোরই ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে মিশরের কায়রোর স্কোর ২২৯৬। বায়ুমানের এই স্কোরও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ভারতের কলকাতা ২৩৬ স্কোর নিয়ে তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। শহরটির বায়ুমানের স্কোরও খুব অস্বাস্থ্যকর।
এদিকে, ১৮৩ স্কোর নিয়ে তালিকার চতুর্থ অবস্থানে নেপালের কাঠমন্ডু, ১৮০ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে বসনিয়ার সারাজেভো, ১৭২ স্কোর নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে চীনের উহান, ১৮৭ স্কোর নিয়ে সপ্তম স্থানে ক্রোয়েশিয়ার জাগরেব, ১৬৪ স্কোর নিয়ে অষ্টম অবস্থানে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন, একই স্কোর নিয়ে নবম অবস্থানে চীনের আরেকটি শহর সাংহাই, ১৬১ স্কোর নিয়ে দশম অবস্থানে ভিয়েতনামের হো চিং মিন সিটি। শহরগুলোর বায়ুমানের এই স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।
একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।
২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
পিআর/টিএ