২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার দিন রাজধানীর চানখারপুলে শহীদ আনাস, ইয়াকুবসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তীসহ আটজনের বিরুদ্ধে আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রায় ঘোষণা করা হবে। বেলা ১১টার পর রায় ঘোষণা হবে।
এ উপলক্ষে সকালে গ্রেপ্তারকৃত চারজন আসামিকে হাজির করা হয়েছে। চারজন আসামি হলেন, শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল সুজন মিয়া, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলাম।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করবেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন—বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। মামলাটির রায় ঘোষণা বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
এ মামলার চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম মীজানুল ইসলাম। এছাড়া প্রসিকিউটর হিসেবে রয়েছেন গাজী এম এইচ তামিম, ফারুক আহম্মেদ, তারেক আব্দুল্লাহ। অপরদিকে, আসামিপক্ষে রয়েছেন সাদ্দাম হোসেন অভি, সিফাত মাহমুদ শুভ ও আবুল হাসান। পলাতক চার আসামির পক্ষে রয়েছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী কুতুবউদ্দিন আহমেদ।
এ বিষয়ে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম বলেন, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা চায়নিজ রাইফেল ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেয়। যারা অস্বীকৃতি জানিয়েছেন, তাদের গালাগাল করা হয়, হুমকি দেওয়া হয়। ছয়জনকে হত্যার পাশাপাশি অসংখ্য ছাত্র-জনতাকে গুলি করে আহত করা হয়। প্রসিকিউশন মামলা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং প্রত্যেকেরই সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে।
এ মামলায় আটজন আসামি রয়েছেন। এরমধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া চার আসামি হলেন—শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল সুজন মিয়া, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলাম। পলাতক আসামিরা হলেন—সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম ও রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল।
কেএন/টিকে