© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ওসমান হাদি হত্যা মামলা / ফয়সালের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রুবেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

শেয়ার করুন:
ফয়সালের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রুবেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৪৯ এএম | ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের ‘ঘনিষ্ঠ সহযোগী’ মো. রুবেল আহমেদ আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুই দফায় মোট নয়দিনের রিমান্ড শেষে রুবেল আহমেদকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় তিনি স্বেচ্ছায় ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিতে সম্মত হন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ২২ জানুয়ারি ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম রুবেল আহমেদের ছয়দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে ২৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফায় আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

গত ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ডিবির দাখিল করা চার্জশিট অনুযায়ী, মামলায় অভিযুক্ত ১৭ জনের মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং বাকি ছয় জন পলাতক রয়েছে।

তবে ওই চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করে ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল করেন।

আদালত নারাজি আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-কে নির্দেশ দেন। বর্তমানে মামলাটি সিআইডির তদন্তাধীন রয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে শরিফ ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার তার মৃত্যু হয়।

১৯ ডিসেম্বর হাদির মরদেহ দেশে আনা হয়। শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিসৌধের পাশে শরিফ ওসমান হাদিকে দাফন করা হয়।

ঘটনায় গত ১৪ ডিসেম্বর রাতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। ওসমান হাদি মৃত্যুবরণ করলে যা হত্যা মামলা হিসেবে নেওয়া হয়।

টিজে/টিকে

মন্তব্য করুন