© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জনগণের চাপে ‘না’ এখন ‘হ্যাঁ’ হয়ে গেছে : ডা. তাহের

শেয়ার করুন:
জনগণের চাপে ‘না’ এখন ‘হ্যাঁ’ হয়ে গেছে : ডা. তাহের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৫৬ এএম | ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত জোয়ার ঠেকাতে নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে। যদি নির্বাচনে কারচুপি বা দখলদারি হয় এবং তা গ্রহণযোগ্য না হয়, তবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। তাই আমি প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে সারাদেশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সন্ত্রাসীদের যেমন দুই হাত আছে, শান্তিকামী মানুষেরও তেমন দুই হাত আছে। কেউ যদি কেন্দ্র দখল করতে আসে, তবে জনগণের প্রতিরোধের মুখে তাদের হাত চুরমার করে দেওয়া হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করে একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই জামায়াতে ইসলামী ও আমাদের জোটের মূল লক্ষ্য।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়ন চান্দকরা সেকান্দর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. তাহের বলেন, দেশ এখন দুইভাগে বিভক্ত। একদিকে ১১ দলীয় জোট। অপরদিকে অন্য একটি দল। ১১ দলীয় জোটে আছে ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল অলি আহমেদ বীর বিক্রমের দল, জুলাই বিপ্লবের সিপাহ সালাহর দল এনসিপি, ইসলামী দলের নেতৃবৃন্দ। ১১ দলীয় জোট হচ্ছে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে সেই জোট। ইনশাআল্লাহ, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে।

ডা. তাহের বলেন, আজ বাংলাদেশের জন্য এক চ্যালেঞ্জিং সিচুয়েশন চলছে। আমরা কী ৫৬ বছরের পুরোনো অন্ধকারের দিকে পশ্চাতে হাঁটতে থাকবো? নাকি, আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য এগিয়ে যাবো। এ সিদ্ধান্ত হবে আগামীর নির্বাচনে।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে কেউ বলেছিল ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিরুদ্ধে ‘না’ দেওয়ার জন্য সংস্কারের প্রশ্নে। কিন্তু জনগণের এত চাপে ‘না’ এখন ‘হ্যাঁ’ হয়ে গেছে। উনারা বলেছিলেন বাংলাদেশে মৌলবাদের উত্থান হচ্ছে, ইসলামের উত্থান হচ্ছে। আর এখন তারা বলছে, আল্লাহ এবং রাসূলের আদর্শ অনুসারে দেশ পরিচালনা করবে।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির বলেন, তারা যখন ক্ষমতায় ছিলেন বাংলাদেশ তিনবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান হয়েছিল। এখন আবার তারা বলছে, আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ব। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়লে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু এই কথা কি ঠিক থাকবে? লক্ষণ আছে? কারণ, বিপ্লবের পরে সারাদেশে টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি কারা করেছে এটা সবাই জানে। সুতরাং যারা এটাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন তাদের দ্বারা দুর্নীতি দূর করা সহজ হবে বলে মনে হয় না।

শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমির অ্যাডভোকেট মু. শাহজাহান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমির মাহফুজুর রহমানসহ অন্যান্যরা।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন