স্বামীর সঙ্গে প্রথম ভালোবাসা দিবসে কী পরিকল্পনা মৌবনী সরকারের?
ছবি: সংগৃহীত
১১:০২ এএম | ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বিয়ের তিন মাস পেরোতেই যেন নতুন করে প্রেমের রঙে রাঙা মৌবনী সরকারের জীবন। জাদুশিল্পীর পরিবারে বেড়ে ওঠা এই অভিনেত্রী এখন নিজের সংসারের জাদুতেই মুগ্ধ। শৈশব থেকেই বিয়ের স্বপ্ন দেখতেন তিনি, আর সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার পর সম্পর্ক যেন আরও গভীর হয়েছে এমনটাই জানালেন মৌবনী। সামনে প্রথম প্রেমদিবস, আর সেই দিনটিকে ঘিরেই এখন তাঁর উচ্ছ্বাস, পরিকল্পনা আর খানিক লাজুক আনন্দ।
গত বছরের শেষ দিনে ধুমধাম করে বিয়ে হয় মৌবনী ও সৌম্য রায়ের। পেশায় দু’জন সম্পূর্ণ ভিন্ন হলেও বোঝাপড়ায় কোনও ঘাটতি নেই বলেই দাবি অভিনেত্রীর। বরং বিয়ের পরেই সম্পর্কের ভিত আরও মজবুত হয়েছে। মৌবনীর কথায়, প্রেম নয়, তিনি সবসময় চেয়েছিলেন স্থায়ী প্রতিশ্রুতি, একসঙ্গে থাকার নিশ্চয়তা। সেটাই তিনি খুঁজে পেয়েছেন স্বামীর মধ্যে। বিয়ের আগে আলাপ বা দীর্ঘ প্রেমের সুযোগ না থাকলেও বিয়ের পরেই সম্পর্ককে সময় দিয়ে বড় করে তোলার বিশ্বাসেই এগিয়েছেন তিনি।

এই কয়েক মাসেই নিজের মধ্যেও বদল টের পাচ্ছেন মৌবনী। আগে যেখানে শুধু নিজের কথা ভাবতেন, এখন প্রতিটি সিদ্ধান্তেই জড়িয়ে থাকে দু’জনের কথা। নতুন নতুন রান্না করা থেকে শুরু করে ছোট ছোট অভ্যাস সবেতেই ফুটে উঠছে সংসারজীবনের ছাপ। মেয়ের এই পরিবর্তন দেখে বিস্মিত তাঁর মা-ও। যেন পর্দার অভিনেত্রী নয়, ঘরোয়া এক মানুষের নতুন রূপ সামনে এসেছে।
প্রথম প্রেমদিবস ঘিরে পরিকল্পনাও তৈরি। দিনটিকে আলাদা করে দেখেন না বলেই দাবি তাঁর, তবু সারা বিশ্ব যখন উদ্যাপনে মেতে ওঠে, তখন পিছিয়ে থাকতে চান না তাঁরা। সেই দিন একসঙ্গে একটি গানের অনুষ্ঠানে যাওয়ার ইচ্ছে রয়েছে দম্পতির। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে ঘরেই বিশেষ রান্না আর একান্ত সময় কাটানোর ভাবনা। মৌবনীর কথায়, সম্পর্কের আসল সৌন্দর্য একে অপরকে সময় দেওয়াতেই।
এই অল্প সময়েই দু’জনের নির্ভরশীলতা এতটাই বেড়েছে যে একে অন্যকে ছাড়া খাওয়াও যেন অসম্পূর্ণ লাগে। অসুস্থতার দিনেও স্বামীর সেই নিঃশব্দ সঙ্গ তাঁকে আবেগাপ্লুত করেছে। ছোটবেলা থেকে যে সংসারের স্বপ্ন দেখেছিলেন, আজ তারই বাস্তব রূপ দেখে তৃপ্ত মৌবনী সরকার আর সেই তৃপ্তির আলোই এখন তাঁর কথায়, আচরণে, পরিকল্পনায় স্পষ্ট।
পিআর/এসএন