থাইল্যান্ডের জাতীয় নির্বাচনে বড় জয় পেলেন অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
০৪:৩৮ পিএম | ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘাত, গত ২ বছরে তিন জন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসা ও দেশের অভ্যন্তরে বিদ্যমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যেই থাইল্যান্ডে জাতীয় নির্বাচন হয়েছে।
এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেই অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বড় বিজয় পেয়েছে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের নেতৃত্বাধীন জোট।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেছে থাইল্যান্ডের নির্বাচন কমিশন।
থাইল্যান্ডের পার্লামেন্টে মোট ৪৯২টি আসনের মধ্যে কোনো দল কিংবা জোট যদি সরকার গঠন করতে চায় তাহলে কমপক্ষে ২৪৬টি আসনে জয় নিশ্চিত করতে হবে।
থাইল্যান্ডের নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা নিশ্চিত করেছে, আনুতিনের রাজনৈতিক দল ভূমিজাই থাই পার্টি মোট ১৯৬টি আসনে বিজয়ী হয়েছে, আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১৬টি আসনে। বাকি ১৮০টি আসনে জয় পেয়েছে রক্ষণশীল পিউ থাই পার্টি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল।
অর্থাৎকোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে সরকার গঠন করতে হলে এখন জোট ছাড়া আর কোনো পথ নেই। তবে যেহেতু ভূমিজাই থাই পার্টি সবচেয়ে বেশি আসনে জিতেছে, তাই জোট সরকার গঠন হলে নিয়ম অনুযায়ী আনুতিনই প্রধানমন্ত্রীর পদে বসবেন।
৫৮ বছর বয়সী আনুতিন থাইল্যান্ডের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হন ২০২৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ক্ষমতা হারানোর পর। নৈতিকতা লঙ্ঘনের দায়ে ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করেন থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত।
পায়েতংতার্ন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধামন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার মেয়ে এবং দেশটির বৃহত্তম রাজনৈতিক দল পিউ থাই পার্টির নেত্রী। ২০২৪ সালের আগস্টে থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন পায়েতংতার্ন। সে সময় তার বয়স ছিল ৩৮ বছর। শপথ গ্রহণের মাত্র এক বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরপরই ক্ষমতা হারান তিনি।
থাইল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিতিশীল। গত ২ বছরে তিন জন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় এসেছেন। তার ওপর আনুতিন চার্নভিরাকুলের অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় গত ডিসেম্বর কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সংঘাত হয়েছিল থাইল্যান্ডের।
এমআই/এসএন