© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

একমাত্র আমরাই ইসলামের পক্ষে দাঁড়িয়ে লড়াই করছি : চরমোনাই পীর

শেয়ার করুন:
একমাত্র আমরাই ইসলামের পক্ষে দাঁড়িয়ে লড়াই করছি : চরমোনাই পীর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:৪১ পিএম | ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আদর্শিক রাজনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। কখনো ক্ষমতার রাজনীতি করেনি।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ- হিজলা) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়েরের সমর্থনে মেহেন্দীগঞ্জের পাতারহাট বীর মুক্তিযোদ্ধা পার্কে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, আমি নিজে কোনো আসনে প্রার্থী হইনি। ১৯৮৭ সালে দলের প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমরা কখনো ক্ষমতার রাজনীতি করিনি। ক্ষমতার রাজনীতি করলে বহু আগেই ক্ষমতার স্বাদ নিতে পারতাম, আমরা চেয়েছি আদর্শ ও ইসলাম।

তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনেও নানান চড়াই-উৎরাই পাড়ি দিয়ে একমাত্র আমরাই ইসলাম ও শরীয়াহর পক্ষে দাঁড়িয়ে লড়াই করছি। তাই দেশের সকল নাগরিকদের বলবো, স্বাধীনতার ৫৪ বছরে অনেক কিছুই দেখলেন। এবার ইসলামের পক্ষে হাতপাখা প্রতীককে যাচাই করুন। ইনশাআল্লাহ আপনাদের মুখে হাসি ফুটবে।

চরমোনাই পীর বলেন, বাংলাদেশে কিন্তু ইসলামের পক্ষের একটাই বাক্স। সেই বাক্সটা হলো হাতপাখা প্রতীকের। আর কারও ইসলামের পক্ষের বাক্স দাবি করার অধিকার নেই। আমরা যারা ইসলামের পক্ষের দাবি করি তাদের সবার ভোট ইসলামের পক্ষে হোক, হাতপাখার পক্ষে হোক। এটা আমার একমাত্র দাবি।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের সিনিয়র নায়েবে আমির বরিশাল-৫ ও ৬ এর হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম।

তিনি বলেন, মানুষ যদি নিজের ভাগ্য নিজেরাই পরিবর্তন করতে না চায়, আল্লাহও তা পরিবর্তন করেন না। ১২ তারিখে জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, হাতপাখায় ভোট দিয়ে এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।

ফয়জুল করীম বলেন, এর আগে দেশে বারো বার নির্বাচন হয়েছে, কিন্তু প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। কারণ ভুল নেতা ও ভুল নীতি থেকে সঠিক ফল পাওয়া যায় না।

জামায়াতের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের বর্তমান নির্বাচনী ইশতেহারে ইসলাম সংক্রান্ত অঙ্গীকার নেই।

এ সময় বরিশাল-৪ আসনের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়েরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এমআর/টিএ 

মন্তব্য করুন