© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

গেম অব থ্রোনসের সেই ডায়ার উলফ এখন বাস্তবে

শেয়ার করুন:
গেম অব থ্রোনসের সেই ডায়ার উলফ এখন বাস্তবে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৩৬ পিএম | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ডোডো পাখি, লোমশ ম্যামথ কিংবা তাসমানিয়ান বাঘ-যাদের পৃথিবী থেকে চিরতরে হারিয়ে গেছে বলে আমরা জানি, তাদের ডিএনএ থেকে আবার নতুন করে জন্ম দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে কলোসাল বায়োভল্ট নামে একটি অত্যাধুনিক গবেষণাগার স্থাপন করছে বায়োটেক কম্পানি কলোসাল বায়োসায়েন্সেস।

দুবাইয়ের মিউজিয়াম অফ দ্য ফিউচারের ভেতরে অবস্থিত এই ল্যাবে বিশ্বের প্রায় ১০,০০০ প্রজাতির কোটি কোটি হিমায়িত টিস্যু ও ডিএনএ নমুনা রাখা হবে। এর মধ্যে আরব আমিরাতের সবচেয়ে বিপন্ন ১০০টি প্রজাতিসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দুর্লভ প্রাণীর নমুনা সংরক্ষিত থাকবে।

কলোসালের সিইও বেন ল্যাম এই ভল্টটিকে নরওয়ের বিখ্যাত গ্লোবাল সিড ভল্ট-এর (বীজ ব্যাংক) সাথে তুলনা করেছেন। তিনি বলেন, মানুষ যে হারে প্রকৃতি ধ্বংস করছে, তাতে পৃথিবীর সমস্ত প্রাণের একটি ব্যাকআপ রাখা জরুরি। অনেক প্রাণীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মানুষের চেয়ে ভালো। তাদের ডিএনএ নিয়ে গবেষণা করলে ভবিষ্যতে মানুষের জটিল রোগের চিকিৎসাও সহজ হতে পারে।

গত এপ্রিলে কলোসাল দাবি করেছে যে, তারা জিন-সম্পাদনা প্রযুক্তির মাধ্যমে বিলুপ্ত ডায়ার উলফ বা ডায়ার নেকড়ের মতো দেখতে একটি সংকর প্রজাতি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। যদিও বিজ্ঞানীরা বলছেন এটি হুবহু পুরোনো নেকড়ের কার্বন কপি নয়, তবে এটি প্রাচীন প্রাণীদের ফিরিয়ে আনার পথে বড় একটি পদক্ষেপ।

এই প্রকল্পে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছে। কলোসাল এ পর্যন্ত প্রায় ৬১৫ মিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহ করেছে।

দুবাইয়ের এই ল্যাবটি হবে কলোসালের পরিকল্পিত বিশ্বব্যাপী সাইট নেটওয়ার্কের প্রথম ধাপ।

সূত্র : সিএনএন

আরআই/টিকে

মন্তব্য করুন