© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইরানের কাছাকাছি আরও এক বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

শেয়ার করুন:
ইরানের কাছাকাছি আরও এক বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৪৪ এএম | ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল মঙ্গলবার বলেছেন, তিনি মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় একটি এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার বা বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েনের কথা ভাবছেন। তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই তেহরানের ওপর চাপ তীব্র করতে তিনি এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের একটি নৌবহর সেখানে যাচ্ছে এবং আরেকটিও যেতে পারে।’ তিনি নিশ্চিত করেন, অতিরিক্ত একটি রণতরি মোতায়েনের বিষয়টি নিয়ে তিনি ‘ভাবছেন।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, দ্বিতীয় একটি স্ট্রাইক গ্রুপ পাঠানো নিয়ে অভ্যন্তরীণ আলোচনা চলছে। এটি বর্তমানে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।

ট্রাম্প ইরানের সামনে কেবল দুটি পথ খোলা আছে উল্লেখ করে বলেন, ‘হয় আমরা একটি চুক্তি করব, অথবা আমাদের গতবারের মতো খুব কঠোর কিছু করতে হবে।’ এখানে তিনি গত বছরের জুন মাসে ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা-ফোর্দো, নাতাঞ্জ এবং ইস্পাহানে মার্কিন বাহিনীর চালানো বিমান হামলার ইঙ্গিত দেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি আগামী সপ্তাহে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনার প্রত্যাশা করছেন এবং দাবি করেন, তেহরান এখন আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত হয়েছে।

তিনি ইঙ্গিত দেন, শক্তি প্রয়োগের ব্যাপারে তাঁর সদিচ্ছা কূটনৈতিক পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘গতবার তারা বিশ্বাস করেনি যে আমি এটা করব।’ তিনি আরও যোগ করেন, ইরানের নেতৃত্ব এর আগে তাদের সামর্থ্যের অতিরিক্ত চাল চেলেছিল।

ট্রাম্প বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো খুবই সহজ এবং দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা হ্রাস করার বিষয়েও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে একটি দুর্দান্ত চুক্তি করতে পারি।’

আজ বুধবার হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সফরের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, তাদের দুজনের মধ্যে কোনো মতভেদের সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, ‘নেতানিয়াহু নিজেও একটি চুক্তি চান। তিনি একটি ভালো চুক্তি চান।’

ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী দফার পারমাণবিক আলোচনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রায় আট মাস স্থগিত থাকার পর গত শুক্রবার ওমানে এই আলোচনা শুরু হয়েছে। পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং ট্রাম্পের বারবার সামরিক অভিযানের হুমকির ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা এখন চরমে।

কেএন/টিকে

মন্তব্য করুন