নির্বাচনোত্তর বাংলাদেশ: নতুন সমীকরণ ও আগামীর রাজনীতি
ছবি: সংগৃহীত
১১:০৬ এএম | ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বহুদিন পর বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন এর উৎসব কাটিয়েছে, বহু মানুষ রাত নির্ঘুম কাটিয়েছেন .. আশা করি সামনে থেকে নির্বাচন এর এই ধারাই থাকবে। নির্বাচন আমার কাছে মনে হয়েছে সুন্দরভাবেই সমাপ্ত হয়েছে , কয়েকটি আসনে সমস্যা ছাড়া ।আমার কয়েকটি কি অবজারভেশন..
১.অনেকেই চেয়েছিলাম জামায়াত জোট উল্লেখ্যজনক আসন পাক, তবে সেটি যে সরকার গঠন করবে তা হবেনা বলে আমার ব্যক্তিগতভাবে অনুমেয় ছিলো। ১০০-১১০ সিট পেলে আরেকটু শক্ত বিরোধীদল হওয়া যেতো।
২. জামায়াত তাদের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা নিয়েই মাঠে শক্ত থাকতে হবে, কারণ রাজনীতি লম্বা রেসের ঘোড়া।
২০০১ সালের গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে আওয়ামীলীগ পায় ৬২ টি সিট এবং ২০০৮ সালে বিএনপি নেতৃত্বে ১৮দলীয় জোট পায় ৩০ টি সিট। তারা শক্ত বিরোধীদল হিসাবেই ছিলো।
৩. গণভোট এর দিকে মানুষ সংস্কারে ভোট দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ বিএনপি থেকে এটি বাস্তবায়ন এর প্রত্যাশা করবে।
৪. শহীদ জিয়া পরিবার এর প্রতি বাংলাদেশের মানুষ এর অন্যরকম ভালোবাসা আছে, বিএনপি এর সেটিকে মনে রাখতে হবে।
৫. জামায়াত এর নিজস্ব শক্তিশালী মিডিয়া থাকতে হবেই, এই মিডিয়া না থাকলে জামায়াত গণমানুষের দল হতে পারবেনা।
৬. জামায়াত এখনো হিন্দু ভোটারদের কাছে ভোট পাওয়ার মতো দল হয়নি, একই সাথে কওমী গ্রুপ, নানান আলেমগ্রূপ জামায়াত এর ভোট কাটবেই।
নির্বাচনের সুন্দর দিক হচ্ছে মানুষ কথা বলার সুযোগ পায়, মানুষ অনেকদিন পর বাংলাদেশে মন খুলে কথা বলেছে। বাংলাদেশে ৫২, ৭১, ২৪ হয়েছেই যখন ক্ষমতাশীল গ্রুপ দানব হয়ে উঠে। সবাই প্রত্যাশা রাখবে আর কোনো দানব তৈরি যেনো না হয়।
লেখক-সৈয়দ মাহমুদ মূসা
ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এমএমএস গ্লোবাল সার্ভিসেস
টিকে/