আজ সুন্দরবন দিবস
ছবি: সংগৃহীত
১২:১০ পিএম | ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বিশ্বজুড়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটি ভালোবাসা দিবস হিসেবে উদযাপিত হলেও সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলের মানুষেরা দিনটিকে ‘সুন্দরবন দিবস’ হিসেবে পালন করেন। মূলত, বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনকে রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে খুলনাসহ উপকূলীয় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দুই দশকের বেশি সময় ধরে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
পলিথিন এবং প্লাস্টিক দূষণ থেকে সুন্দরবনের প্রাণী ও উদ্ভিদবৈচিত্র্য সুরক্ষায় ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টিসহ সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে সুন্দরবন দিবসকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের বেঁচে থাকার বিরাট অনুষঙ্গ। কিন্তু সুন্দরবনের জন্য এখন সবচেয়ে বড় সংকট লবণাক্ততা বৃদ্ধি। সেইসঙ্গে বন্য প্রাণী শিকার, গাছ পাচার, বিষ দিয়ে মাছ ধরাও থেমে নেই। প্রকৃতি ও মানুষের আগ্রাসনে বনের অবস্থা বিপর্যস্ত।
২০০১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের আওতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রূপান্তর ও পরশের উদ্যোগে এবং দেশের আরও ৭০টি পরিবেশবাদী সংগঠনের অংশগ্রহণে প্রথম জাতীয় সুন্দরবন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ‘সুন্দরবন দিবস’ ঘোষণা করা হয়।
বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের আয়তন ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার। সুন্দরবনে ৫২৮ প্রজাতির উদ্ভিদ ও ৫০৫ প্রজাতির বন্য প্রাণীর বাস। এর মধ্যে রয়েছে ৪৯ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৮৭ প্রজাতির সরীসৃপ ও ১৪ প্রজাতির উভচর প্রাণী ও ৩৫৫ প্রজাতির পাখি।
প্রসঙ্গত, জীববৈচিত্র্যের প্রাচুর্যের জন্য ১৯৯২ সালে সুন্দরবনকে রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। আর ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ইউনেসকো সুন্দরবনকে প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে।
কেএন/টিকে