রেফারিকে খোঁচা মেরে শাস্তির মুখে রদ্রি
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৫৭ পিএম | ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
তীর্যক শব্দের ব্যবহার ছিল না, তবে রেফারি রবার্ট জোন্সকে উদ্দেশ্য করে রদ্রি যা বলেছিলেন, তা স্পষ্টতই আপত্তিকর। টটেনহ্যাম হটস্পারের বিপক্ষে ম্যাচের পর করা ওই মন্তব্যের কারণে এখন শাস্তির মুখে ম্যানচেস্টার সিটির এই মিডফিল্ডার।
শাস্তির ধরন কী হতে পারে, তা অবশ্য নিশ্চিত নয় এখনও। ধারণা করা হচ্ছে, নিষেধাজ্ঞা পেতে পারেন তিনি।
ঘটনা টটেনহ্যামের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির ২-২ ড্র ম্যাচের পরের। ওই ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েও জিততে পারেনি সিটি; দ্বিতীয়ার্ধে ডমিনিক সোলাঙ্কির জোড়া গোলে ২-২ ড্র করেছিল টটেনহ্যাম।

সোলাঙ্কির প্রথম গোলের সময়ের একটি ঘটনা নিয়ে ম্যাচ শেষে রেফারিকে খোঁচা দেন রদ্রি। রিপ্লেতে দেখা যায় মার্ক গুইয়ের পায়ের পেছন থেকে লাথি দিয়ে গোলটি করেছিলেন সোলাঙ্কি। ওই প্রসঙ্গ টেনে রদ্রি দাবি করেন, রেফারি জোন্স নিরপেক্ষ ছিলেন না।
“আমি জানি, আমরা অনেক জিতেছি, তাই লোকে চায় না আমরা আর জিতি; কিন্তু রেফারিকে নিরপেক্ষ থাকবে হবে।”
“সত্যি বলতে, আমি কখনই রেফারিকে নিয়ে কথা বলি না। তাদের কাজকে অনেক শ্রদ্ধা করি, কিন্তু তাদের এই দিকগুলোতে মনোযোগ দিতে হবে।সে (সেলাঙ্কি) পায়ে লাথি দিয়েছিল, এটা খুবই পরিষ্কার। টানা দুই-তিন ম্যাচ ঘটল এবং আমি জানি না, কেন?”
রদ্রির ওই প্রতিক্রিয়া ভালোভাবে নেয়নি ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের বিপক্ষে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ এনেছে তারা এবং সেখানে বলা হয়েছে, “ম্যাচ পরবর্তী সাক্ষাৎকারে অনুপযুক্ত আচরণ করেছিলেন রদ্রি এবং এমন কিছু মন্তব্য করেছিলেন, যা রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এবং একজন ম্যাচ অফিসিয়ালের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।”
‘কোড অব কন্ডাক্ট’ ভঙ্গের কোন ধারা রদ্রির বেলায় প্রযোজ্য হচ্ছে এবং কী শাস্তি তাকে দেওয়া হবে, তা অবশ্য নিশ্চিত নয় এখনও। এফএ-এর স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশন খতিয়ে দেখছে রদ্রি দোষী কিনা।
২০২৩ সালে লিভারপুলের সেসময়কার কোচ ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান রেফারি পল টিয়েরনের সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শাস্তি পেয়েছিলেন। টিয়েরনের মধ্যে ‘আমার দলের বিপক্ষে’ কিছু আছে বলে মন্তব্য করেছিলেন ক্লিন্সমান। এজন্য তাকে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, এমন শাস্তির খড়গ নেমে আসতে পারে রদ্রির ওপরও।
এমআর/টিএ