© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

খাগড়াছড়িতে ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

শেয়ার করুন:
খাগড়াছড়িতে ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:১৭ এএম | ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে সাতজনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। নির্বাচনে কাস্ট হওয়া মোট ভোটের আট শতাংশের (১/৮ অংশ) কম ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়।

এই আসনে বাতিল হওয়া ভোটের সংখ্যা সাত প্রার্থীর সম্মিলিত প্রাপ্ত ভোটের চেয়েও বেশি।

নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে এবার মোট ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৫৫৯টি ভোট পড়েছে, যা মোট ভোটারের ৬২ শতাংশ। এর মধ্যে ১০ হাজার ৮০টি ভোট বাতিল বলে গণ্য হয়েছে। জামানত হারানো সাত প্রার্থীর সম্মিলিত প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা মাত্র ৭ হাজার ৬৬৯। অর্থাৎ, বাতিল ভোটের সংখ্যা সাত প্রার্থীর মোট প্রাপ্ত ভোটের চেয়েও বেশি।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন– জাতীয় পার্টির মিথিলা রওয়াজা (লাঙ্গল: ১ হাজার ২৪ ভোট), বিএমজেপির উশ্যেপ্রু মারমা (রকেট: ১ হাজার ৩০ ভোট), জিরুনা ত্রিপুরা (কলস: ৯০৪ ভোট), গণঅধিকার পরিষদের দীনময় রওয়াজা (ট্রাক: ৭৫৫ ভোট), ইসলামি আন্দোলনের মো. কাউসার (হাতপাখা: ৩ হাজার ৮৯ ভোট), নুর ইসলাম (আপেল: ৬৮৩ ভোট) এবং নির্বাচন বয়কট করা মো. মোস্তফা (হারিকেন: ১৮৪ ভোট)।

খাগড়াছড়ি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম শাহাদাত হোসেন জানান, বিধি অনুযায়ী কাস্ট হওয়া ভোটের ৮ শতাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসেবে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ জনের মধ্যে সাতজনই জামানত হারাচ্ছেন।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে উশ্যেপ্রু মারমা, মো. মোস্তফা ও মিথিলা রওয়াজা ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অংশ নিয়েছিলেন। সেবারও তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। তবে গতবারের তুলনায় এবার তাদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে; গত নির্বাচনে তারা প্রত্যেকেই ১০ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছিলেন।

আরআই/টিকে

মন্তব্য করুন