© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

তারেক রহমানের সঙ্গে আজকের সাক্ষাৎ জাতীয় রাজনীতির ঐতিহাসিক মুহূর্ত: জামায়াত আমির

শেয়ার করুন:
তারেক রহমানের সঙ্গে আজকের সাক্ষাৎ জাতীয় রাজনীতির ঐতিহাসিক মুহূর্ত: জামায়াত আমির

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৫০ এএম | ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তারেক রহমানের সঙ্গে আজকের সাক্ষাতকে জাতীয় রাজনীতির জন্য একটি ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

পাশাপাশি তিনি সংলাপ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিপক্কতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নতুন অধ্যায় সূচনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে একথা বলেন জামায়াত আমির।

তিনি স্ট্যাটাসে লেখেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানাচ্ছি। তিনি আজ আমার আবাসিক কার্যালয়ে এসেছিলেন। তার এই আগমন আমাদের জাতীয় রাজনীতির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

‘আমি তার এই আগমনকে স্বাগত জানাই এবং প্রত্যাশা রাখি, সংলাপ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে এটি রাজনৈতিক পরিপক্কতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘আমি এমন এক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি যা হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১-দলীয় জোটের সাথে মিলে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক শাসনের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে। আমাদের আলোচনায় তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এবং বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো হামলা রোধে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন।’ আমি এই আশ্বাসকে সাধুবাদ জানাই। আমাদের প্রত্যাশা, কোনো নাগরিকই যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হয়।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে আমরা নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করবো, তবে একটি আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আমরা আপসহীন থাকবো। সরকারের জনকল্যাণমূলক কাজে আমাদের সমর্থন থাকবে, কিন্তু যেখানেই জবাবদিহিতার প্রয়োজন হবে, সেখানে আমরা সোচ্চার থাকব। আমাদের উদ্দেশ্য সংঘাত নয় বরং সংশোধন; বাধা দেওয়া নয় বরং পর্যবেক্ষণ। দেশের মানুষ এমন একটি সংসদ প্রত্যাশা করে, যা ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার রক্ষা করবে এবং স্থিতিশীলতার সাথে রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন