© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কাদের-সাদ্দামসহ শীর্ষ ৭ নেতার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

শেয়ার করুন:
কাদের-সাদ্দামসহ শীর্ষ ৭ নেতার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:০৪ পিএম | ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এ মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শহীদ আসিফ ইকবালের বাবা এমএ রাজ্জাক। একসময় বেসরকারি চাকরি করতেন ৬৫ বছর বয়সী এই সাক্ষী। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় শহীদ হন তার ছেলে।

জবানবন্দিতে রাজ্জাক বলেন, মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজে লেখাপড়ার পাশাপাশি দারাজ-এ চাকরি করতো আমার ছেলে। ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ এ আন্দোলনে অংশ নেয় ছেলেটি। সেদিন জুমার নামাজ ওই এলাকার একটি মসজিদে আদায় করে আসিফ।

এরপর জবানবন্দি অসমাপ্ত রেখে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত মুলতবি করেন ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ ও সহিদুল ইসলাম সরদার।

এ মামলায় পলাতক অন্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

গত ২২ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। একইসঙ্গে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনসহ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

এর আগে, ১৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ। ৮ জানুয়ারি পলাতক আসামিদের পক্ষে দুজন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়া গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত।

কেএন/টিকে

মন্তব্য করুন