© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

যুক্তরাষ্ট্র ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করতে সফল হবে না: খামেনি

শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্র ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করতে সফল হবে না: খামেনি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:২১ পিএম | ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি দিয়েছেন এবং এই অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বা পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা সীমিত করতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ইরানের জনগণের সাথে কথা বলার সময় খামেনি বলেন, ট্রাম্প ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করতে সফল হবেন না।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, দুটি আমেরিকান ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এখন ইরানের অপারেশনাল নাগালের মধ্যে অবস্থান করছে।

একটি, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন, ইরানের উপকূলরেখা থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে ট্র্যাক করা হয়েছে।

আরেকটি উপসাগর জুড়ে আমেরিকান সামরিক অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে, তেহরানে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেন, আমেরিকান শক্তি ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করতে সফল হবে না।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী মোতায়েনের প্রতিক্রিয়া এবং এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক শক্তি বাড়ানোর প্রতিক্রিয়ায়, খামেনি তাদের শক্তি স্বীকার করে একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা জারি করে বলেন, ‘অবশ্যই, একটি যুদ্ধজাহাজ একটি বিপজ্জনক সামরিক সরঞ্জাম।’

তবে, তিনি এও বলেছিলেন, ‘ওই যুদ্ধজাহাজের চেয়েও বিপজ্জনক হল সেই অস্ত্র যা সেই যুদ্ধজাহাজকে সমুদ্রের তলদেশে পাঠাতে পারে।’

জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়, এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি হুমকি।

এখন প্রশ্ন হলো, এই মুহূর্তটি কি সংঘাত সৃষ্টির পূর্ব সংকেত নাকি দীর্ঘ, সংঘাতের আরেকটি পর্ব যা কয়েক দশক ধরে মার্কিন ইরান সম্পর্ক ঘিরে চলে এসেছে।

ল্যাঙ্কাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক রাজনীতির অধ্যাপক সাইমন মাবন এনডিটিভিকে বলেন, এখন এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর মুহূর্ত, কারণ ঝুঁকি অবিশ্বাস্যভাবে বেশি, আমরা ইতিমধ্যেই গত বছরের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলকে ইরানে আক্রমণ করতে দেখেছি, এবং ট্রাম্প তার বক্তব্যের মাধ্যমে খুব স্পষ্টভাবে বলেছেন যে যদি কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো না যায়, তাহলে শক্তি প্রয়োগ করা হবে।

পারমাণবিক আলোচনা ছাড়াও গত ডিসেম্বরের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে। বিক্ষোভকারীদের ওপর ইরানের সরকারের দমন-পীড়ন চালানোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র হুঁশিয়ারি জানায় যে, তেহরানে সামরিক পদক্ষেপ চালানো হতে পারে।

অন্যদিকে, পারমাণবিক আলোচনা নিয়ে সন্তোষ জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পারমাণবিক আলোচনায় অভাবনীয় অগ্রগতি হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি, জেরুজালেম পোস্ট

এমআর/টিএ 

মন্তব্য করুন