© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জাতিসংঘকে কড়া চিঠি, আমেরিকাকে ছাড়বে না ইরান

শেয়ার করুন:
জাতিসংঘকে কড়া চিঠি, আমেরিকাকে ছাড়বে না ইরান

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:১২ পিএম | ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার পারদ চরম সীমায় পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আল্টিমেটামের প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে কড়া বার্তা পাঠিয়েছে ইরান।

তেহরান জানিয়েছে, যেকোনো ধরনের মার্কিন সামরিক আগ্রাসনের শিকার হলে তারা এর নির্ধারক ও কঠোর জবাব দেবে।

জাতিসংঘের ইরানি স্থায়ী মিশন থেকে পাঠানো এক চিঠিতে সতর্ক করা হয়েছে, আক্রমণাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত সামরিক ঘাঁটি, স্থাপনা এবং সম্পদকে তেহরান বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করবে। ইরান স্পষ্ট করেছে যে তারা যুদ্ধ চায় না, তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বর্তমান বক্তব্য এবং রণসজ্জা একটি সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের বাস্তব ঝুঁকি তৈরি করছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে একটি অর্থবহ চুক্তির জন্য ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। অন্যথায় ইরানকে ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। এই হুমকির পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, অন্তত দুটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী এবং কয়েক ডজন ফাইটার জেট বর্তমানে ইরানের উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ওদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও সুর মিলিয়ে বলেছেন, তেহরান কোনো ভুল করলে তারা কল্পনাাতীত পাল্টা জবাবের সম্মুখীন হবে।

পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী হরমুজ প্রণালীতে বড় ধরনের সামরিক মহড়া শুরু করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ইরানি রাজনীতিবিদেরা। এর প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে।

ওমান ও জেনেভায় মধ্যস্থতা বৈঠকের পরেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহল এখন চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক কোনো সমাধান না এলে মধ্যপ্রাচ্যে একটি বড় ধরনের সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

সূত্র: টিআরটি

এমআর/টিকে 

মন্তব্য করুন