সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনে কোন কাহিনি ভাগ করে নিলেন পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়?
ছবি: সংগৃহীত
১০:১৪ এএম | ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বর্ণাঢ্য ভোজ বা জাঁকজমক পছন্দ নয় বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়। জন্মদিনের বিশেষ দিনে এমনটাই প্রকাশ করেছেন নাতনি পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়। সরল ও ঘরোয়াভাবে, ঠাকুরমার প্রতি ভালোবাসা আর আদরের মুহূর্তগুলো ভাগ করে নেন পিঙ্কি।
পিঙ্কি বলেন, জন্মদিনে শুধু ভাত, মাছের ঝোল এবং কাছের মানুষ থাকলেই মামণি খুশি। বেশি কিছু কখনও চাহিদা নয়। “অনেক দিন বুঝতাম না, মামণি আসলে কে এত বড় মাপের অভিনেত্রী। কিন্তু বাড়িতে কখনও বোঝাতে দেননি কিছু,” বলেন তিনি। ঠাকুরমা-নাতনির সম্পর্কের মতোই তাঁদের মধ্যে আদর, ভালোবাসা ও শাসনের মিশ্রণ আছে। পিঙ্কি আরও বলেন, তিনি মামণি থেকে জীবনের নানা অনুশীলন শিখেছেন।

জন্মদিনে পিঙ্কির ছেলে ওশও বিশেষ করে উপস্থিত থাকতে চায়। ছোট ছেলেটি মাছ পছন্দ করে, তাই জন্মদিনে রান্না করা হয় তাঁর প্রিয় মাছ। সন্ধেবেলায় কিছু আত্মীয়স্বজন আসবেন, তবে আড়ম্বর আর মাতামাতি থাকবে না। পিঙ্কি জানালেন, মামণি সাধারণ জিনিসের সঙ্গে আনন্দ পছন্দ করেন সর্ষের তেল, বাসন মাজার সাবানই তাঁর জন্য যথেষ্ট। এ ধরনের উপহার সাজিয়ে দেওয়া হয় তত্ত্বের মতো, যা অনেকের কাছে অপ্রত্যাশিত মনে হতে পারে।
চারতলা বাড়িতে সদ্য লিফট বসলেও সাবিত্রী এখনও সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করেন। পিঙ্কি বলেন, এগুলোই প্রতিনিয়ত শিখতে হয়। ওশের সঙ্গে লুডো বা কাটাকুটি খেলার সময় তাঁকে পুরো শিশুর মতো দেখেন। শুটিং আর বাড়ির দায়িত্ব সমানভাবে পালন করেন সাবিত্রী। ডিমের ঝোল রান্নার আগে বলতেই হয়, খোসা ছাড়ানো তাঁর হাতে করতে হবে, কারণ অন্যদের হাতে গেলে অর্ধেক ডিম নষ্ট হয়ে যায়। পিঙ্কির কথায়, এই বয়সেও সাবিত্রীর সতর্ক নজরই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তাঁর জন্য শুধু প্রার্থনা, মামণি সুস্থ থাকুক।
পিআর/টিকে