© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

নগদ নিয়ে নতুন সরকারের অবস্থান জানার পর গভর্নর সিদ্ধান্ত জানাবেন: ব্যারিস্টার আরমান

শেয়ার করুন:
নগদ নিয়ে নতুন সরকারের অবস্থান জানার পর গভর্নর সিদ্ধান্ত জানাবেন: ব্যারিস্টার আরমান

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:১৬ পিএম | ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান নগদ–এর মালিকানা ও ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নতুন সরকারের নীতির ওপর নির্ভর করবে বলে জানিয়েছেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। 

তিনি বলেন,  গভর্নর জানিয়েছেন, নতুন সরকার নগদ নিয়ে কী চূড়ান্ত নীতি নেবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি। যদি সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের মতো এটি বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবেই বিনিয়োগের পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে।

নগদে সম্ভাব্য বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকে চলমান আলোচনার ধারাবাহিকতায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আরমান জানান, সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের ডিজিটাল ব্যাংকিং খাতে আগ্রহী। বিনিয়োগের আগে নগদের আর্থিক অবস্থা যাচাইয়ে একটি অডিট করার বিষয়েও গভর্নরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসন থেকে নির্বাচিত আরমান বলেন, তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে নয়, বরং একজন পেশাদার আইনজীবী হিসেবে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন।

এর আগে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেল, মাইক্রোসফট, অ্যাপল ও উবারের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংসদ সদস্য থাকা অবস্থায় এ ধরনের দায়িত্ব পালনে স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্নে তিনি বলেন, রাজনীতি করছি জনগণের সেবার জন্য। এখানে কোনো আয় নেই। পরিবার চালানোর জন্য আইন পেশায় নিয়োজিত আছি। এতে স্বার্থের কোনো দ্বন্দ্ব নেই।

গত বছরের ২৫ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছিলেন, নগদকে ডাক অধিদপ্তরের হাত থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি তখন বলেন, নগদের মালিকানা তিন থেকে চার মাসের মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে তুলে দেওয়া হবে। নতুন বিনিয়োগকারী খোঁজা হচ্ছে, কারণ পোস্ট অফিসের পক্ষে এটি পরিচালনা করা সম্ভব নয়।

২০১৯ সালের ২৬ মার্চ যাত্রা শুরু করা নগদ পরবর্তীতে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পায়।

তবে বিগত সরকারের আমলে প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়ম ভেঙে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর ২০২৪ সালের ২১ আগস্ট নগদের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে উচ্চ আদালত তা অবৈধ ঘোষণা করলে দায়িত্ব নেয় ডাক অধিদপ্তর।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নগদের বিরুদ্ধে মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। মামলায় সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুকসহ ২৪ জনকে আসামি করা হয়।

কেএন/টিকে

মন্তব্য করুন