© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মার্কিন দূতের সরকারি দপ্তরে প্রবেশাধিকার সীমিত করছে ফ্রান্স

শেয়ার করুন:
মার্কিন দূতের সরকারি দপ্তরে প্রবেশাধিকার সীমিত করছে ফ্রান্স

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:০২ এএম | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
নিহত একজন কট্টর ডানপন্থী কর্মীকে ঘিরে করা মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে তলবে সাড়া না দেওয়ায় মার্কিন দূত চার্লস কুশনারের সরকারি মন্ত্রীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ সীমিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে ফ্রান্স।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে প্যারিস ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের এটি সর্বশেষ ঘটনা। ফ্রান্সের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র বারবার তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে।

কুশনারের ছেলে জ্যারেড কুশনার ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের স্বামী। এর আগে ফ্রান্সে ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপের সমালোচনার জেরে কুশনারকে একবার তলব করা হয়েছিল। সেবারও তিনি বৈঠকে যাননি। তার বদলে অন্য এক কর্মকর্তাকে পাঠান।

মার্কিন দূতাবাস প্যারিস থেকে ওয়াশিংটনের ট্রাম্প প্রশাসনের মন্তব্য পুনঃপ্রচার করার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ নোয়েল বোরো কুশনারকে তলব করেন। মন্তব্যগুলো ছিল নিহত কট্টর ডানপন্থী কর্মী কোয়েন্টিন দেরাঁকের বিষয়ে।

২৩ বছর বয়সী দেরাঁক ১২ ফেব্রুয়ারি লিয়নে বামপন্থী দল লা ফ্রান্স ইনসোমিস-এর এক রাজনীতিকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সময় সংঘর্ষে মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান। সংঘর্ষটি হয় উগ্র-বাম ও কট্টর ডানপন্থী সমর্থকদের মধ্যে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ নোয়েল বোরো হত্যাকাণ্ডকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে’ ব্যবহারের যে কোনো প্রচেষ্টার নিন্দা জানান। তিনি পরদিন সন্ধ্যা ৭টা বৈঠকের জন্য কুশনারকে তলব করেন।

তবে কূটনৈতিক একটি সূত্র ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, রাষ্ট্রদূত ‘ব্যক্তিগত ব্যস্ততার’ কথা উল্লেখ করে নিজে না গিয়ে দূতাবাসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে পাঠান।

ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বের মৌলিক শর্ত এবং নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার মর্যাদা সম্পর্কে স্পষ্টতই যথাযথ উপলব্ধির অভাবের প্রেক্ষিতে মন্ত্রী (বারো) অনুরোধ করেছেন, তাকে (কুশনার) যেন আর ফরাসি সরকারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের অনুমতি না দেওয়া হয়।’

তবে বিবৃতিতে বলা হয়, কুশনার তার কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখতে পারবেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে ‘বিনিময়’ চালিয়ে যেতে পারবেন। তবে ওয়াশিংটন এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

সূত্র : এএফপি

এমআর/টিএ 

মন্তব্য করুন