চীনের সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরান
ছবি: সংগৃহীত
০৬:১৩ এএম | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
চীনের তৈরি সিএম–৩০২ (CM-302) সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে ইরান। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তত দুই বছর আগে শুরু হওয়া আলোচনা, গত জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধের পর দ্রুত গতি পায়।
ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা প্রায় ২৯০ কিলোমিটার এবং এগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠের কাছ দিয়ে দ্রুতগতিতে উড়তে পারে, যা জাহাজের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিতে সক্ষম।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন হলে ইরানের আক্রমণ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। পাশাপাশি এ অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য বড় হুমকি তৈরি করবে।
তবে সম্ভাব্য এই চুক্তিতে কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, ইরান কত অর্থ পরিশোধে সম্মত হয়েছে কিংবা আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীন শেষ পর্যন্ত চুক্তিটি কার্যকর করবে কি না, সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানের তার মিত্রদের সঙ্গে সামরিক ও নিরাপত্তা চুক্তি রয়েছে। এখন সেই চুক্তিগুলো কাজে লাগানোর উপযুক্ত সময়।
রয়টার্স জানায়, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির বিষয়ে অবগত নয় বলে জানিয়েছে। এদিকে এই চুক্তির ব্যাপারে হোয়াইট হাউস সরাসরি মন্তব্য করেনি। তবে এক কর্মকর্তা বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে তাদের চলমান আলোচনার কথা উল্লেখ করে তাদের সাথে চুক্তি না হলে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তবে বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে বিষয়টি কোন দিকে গড়ায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
এমআর/টিএ